শেষ যাত্রায় আর দুর্ভোগ নয়! সেহোর থেকে সরাসরি প্রয়াগরাজ-বারাণসী ট্রেন, মৃতদেহ বা ছাই নিয়ে ছুটতে হবে না ভোপাল

মধ্যপ্রদেশের সেহোরবাসীর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটল। প্রিয়জনের মৃত্যুর পর অস্থি বিসর্জনের জন্য আর ছাইয়ের কলস নিয়ে ভোপাল স্টেশনে ছোটাছুটি করতে হবে না। এখন থেকে সেহোর স্টেশন থেকেই সরাসরি প্রয়াগরাজ এবং বারাণসীর ট্রেন ধরতে পারবেন বাসিন্দারা। সম্প্রতি রেল মন্ত্রকের অনুমোদনের পর দুটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের স্টপেজ দেওয়া হয়েছে সেহোর স্টেশনে, যা একইসাথে ধর্মীয় ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
অস্থি বিসর্জন হবে আরও সহজ: এতদিন সেহোরের মানুষকে অস্থি বিসর্জনের জন্য প্রথমে ভোপাল যেতে হতো, সেখান থেকে উত্তরপ্রদেশের ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হতো। শোকাহত পরিবারের জন্য এই দীর্ঘ সফর ছিল অত্যন্ত কষ্টদায়ক। ভোপালের সাংসদ অলোক শর্মা ইটিভি ভারতকে জানিয়েছেন, “সেহোরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এমন ট্রেনের স্টপেজ, যা সরাসরি গঙ্গার ঘাটে পৌঁছে দেবে। এখন সেই দাবি পূরণ হওয়ায় মানুষ সরাসরি প্রয়াগরাজ ও বারাণসী যেতে পারবেন।”
ব্যবসায়িক ও ধর্মীয় সংযোগ: নতুন সিদ্ধান্তের ফলে আহমেদাবাদ-গোরক্ষপুর এক্সপ্রেস এখন সপ্তাহে ৬ দিন সেহোর স্টেশনে থামবে। এই ট্রেনটি আহমেদাবাদ থেকে সুরাট, রতলম, উজ্জয়িনী হয়ে সেহোরে পৌঁছাবে এবং সেখান থেকে মাইহার, সাতনা হয়ে প্রয়াগরাজ ও বারাণসী যাবে। এর ফলে মুম্বাই এবং আহমেদাবাদের মতো বাণিজ্যিক শহরগুলোর সাথে সেহোরের যোগাযোগ আরও নিবিড় হলো। মঙ্গলবার থেকে রবিবার পর্যন্ত আহমেদাবাদ থেকে এবং বুধবার থেকে সোমবার গোরক্ষপুর থেকে এই পরিষেবা পাওয়া যাবে।