‘ভুল হয়ে গেছে শ্যালক…’, স্ত্রীকে বালিশ চাপা দিয়ে খুনের পর শ্যালককে ফোন পাষণ্ড স্বামীর!

গুরুগ্রামের খাণ্ডসা এলাকায় এক গৃহবধূকে নৃশংসভাবে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হলো তাঁর স্বামীকে। মৃতার নাম শীলু (২৭)। অভিযোগ, তাঁর স্বামী সানি চারিত্রিক সন্দেহের বশে শীলুকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা এই দম্পতি গত চার বছর ধরে গুরুগ্রামে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। শীলু একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করে সংসার চালাতেন, অন্যদিকে সানি ছিলেন বেকার এবং মদ্যপ।
পুলিশি তদন্তে জানা গেছে, শীলুর এক সহকর্মীর সঙ্গে তাঁর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ করত সানি। এই নিয়ে দীর্ঘদিনের অশান্তি চরমে ওঠে ঘটনার রাতে। শীলু ঘুমিয়ে পড়লে সানি বালিশ চাপা দিয়ে তাঁকে নিথর করে দেয়। শিউরে ওঠার মতো তথ্য হলো, খুনের পর প্রায় দু’ঘণ্টা লাশের পাশেই বসে ছিল সানি। এরপর ঘর বাইরে থেকে তালা দিয়ে সে পালিয়ে যায়। পালানোর আগে প্রমাণ লোপাটের জন্য দু’জনের মোবাইল থেকে সোশ্যাল মিডিয়া হিস্ট্রিও মুছে দেয় সে।
ঘটনার ১২ ঘণ্টা পর সানি তার শ্যালক অলোককে ফোন করে বলে, ‘আমি ভুল করে ফেলেছি শ্যালক, শীলুর সাথে দুর্ঘটনা ঘটে গেছে।’ সন্দেহ হওয়ায় পরিবারের লোকজন ঘরে পৌঁছে তালা ভেঙে শীলুর দেহ উদ্ধার করে। পুলিশ অভিযুক্ত সানিকে গ্রেপ্তার করেছে। জেরায় জানা গেছে, সানি ঋণে জর্জরিত ছিল এবং স্ত্রীর উপার্জনের ওপর নির্ভরশীল হওয়া সত্ত্বেও সন্দেহবাতিক হয়ে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।