শীতের শুষ্কতায় মুখ পুড়ছে? রান্নাঘরের এই ১টি জিনিসই ফেরাবে মাখনের মতো জেল্লা!

শীতের হিমেল হাওয়া যেমন মনে আনন্দ দেয়, তেমনই কেড়ে নেয় ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা। শুষ্ক, নিস্তেজ এবং রুক্ষ ত্বক এই মরসুমের সবচেয়ে বড় সমস্যা। তবে দামী কসমেটিকস নয়, আপনার মুশকিল আসান হতে পারে রান্নাঘরে থাকা সাধারণ টক দই। দইয়ে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড এবং প্রাকৃতিক ফ্যাট ত্বকের মৃত কোশ দূর করে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়। এই শীতে ত্বককে হাইড্রেটেড ও উজ্জ্বল রাখতে দইয়ের ৫টি জাদুকরী ফেসপ্যাকের সুলুকসন্ধান রইল এখানে।
১. দই ও মধুর যুগলবন্দি: যাঁদের ত্বক অত্যন্ত শুষ্ক, তাঁদের জন্য মধু ও দইয়ের প্যাক মহৌষধ। মধু বাতাস থেকে আর্দ্রতা টেনে ত্বকে আটকে রাখে। ২ চামচ ঘন দইয়ের সাথে ১ চামচ মধু মিশিয়ে ২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। হালকা গরম জলে ধুয়ে নিলেই তফাতটা বুঝতে পারবেন।
২. দই ও বেসনের সনাতনী টোটকা: ত্বকের গভীর থেকে ময়লা পরিষ্কার করতে এবং ট্যান দূর করতে বেসনের জুড়ি নেই। ২ চামচ দইয়ের সাথে ১ চামচ বেসন ও এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মুখে লাগিয়ে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, তারপর ঘষে ঘষে ধুয়ে ফেলুন।
৩. বলিরেখা রুখতে দই ও কলা: শীতকালে ত্বকের ইলাস্টিসিটি কমে যাওয়ায় বলিরেখা স্পষ্ট হয়। অর্ধেক পাকা কলা চটকে ১ চামচ দই মিশিয়ে মুখে লাগান। ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বককে টানটান ও তরুণ রাখতে সাহায্য করবে।
৪. প্রাকৃতিক স্ক্রাব হিসেবে দই ও ওটস: মরা চামড়া জমে মুখ কালো দেখালে ওটস ও দইয়ের প্যাক ব্যবহার করুন। ১ চামচ ওটসের সাথে ২ চামচ দই মিশিয়ে মুখে ৩ মিনিট মাসাজ করুন। এটি কোনো শুষ্কতা ছাড়াই ত্বককে এক্সফোলিয়েট করবে।
৫. অতি শুষ্কতায় দই ও অলিভ অয়েল: যদি ত্বক এতটাই শুষ্ক হয় যে চামড়া উঠতে শুরু করে, তবে ১ চামচ দইয়ের সঙ্গে আধা চামচ অলিভ অয়েল বা বাদাম তেল মিশিয়ে লাগান। রাতে ঘুমানোর আগে এটি ব্যবহার করলে ত্বকে গভীর পুষ্টি পৌঁছায়।
সপ্তাহে অন্তত দু’বার এই প্যাকগুলো ব্যবহার করলে শীতের রুক্ষতা আপনার ত্বকের ধারেকাছেও ঘেঁষতে পারবে না। তবে সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে আগে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া জরুরি।