জন্ম থেকে ছিল বোবা, অপারেশনের পর প্রথম কথা ‘যোগী জি থ্যাঙ্ক ইউ’! কানপুরের খুশির গল্পে চোখে জল আসবে আপনারও

কখনো কখনো নীরবতাও প্রতিবাদের ভাষা হয়ে ওঠে, আর সেই নীরবতা যখন খোদ মুখ্যমন্ত্রীর কানে পৌঁছায়, তখন জন্ম নেয় এক রূপকথার গল্প। কানপুরের মূর্তিবধির কিশোরী খুশি গুপ্তার জীবন এখন এমনই এক মিরাকেলের সাক্ষী। দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে খুশির মুখে এখন ফুটেছে কথা, আর তার বলা প্রথম বাক্যটিই ছিল— “যোগী জি থ্যাঙ্ক ইউ।”

গল্পের শুরুটা ছিল বেশ করুণ। কানে শুনতে বা মুখে কথা বলতে পারত না খুশি। কিন্তু মনে ছিল অদম্য জেদ। নিজের হাতে আঁকা মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের একটি ছবি নিয়ে কানপুর থেকে লখনউ— প্রায় ৯০ কিলোমিটার রাস্তা পায়ে হেঁটে পাড়ি দিয়েছিল এই কিশোরী। লক্ষ্য ছিল একটাই, প্রিয় ‘মহারাজ’-এর সঙ্গে দেখা করা। লখনউয়ের হজরতগঞ্জ মোড়ে যখন ক্লান্ত খুশি হতাশ হয়ে কাঁদছিল, তখন এক পুলিশ ইন্সপেক্টরের নজরে আসে সে। এরপরই বিষয়টি পৌঁছায় মুখ্যমন্ত্রী দপ্তরে।

যোগী আদিত্যনাথ স্বয়ং খুশির সঙ্গে দেখা করেন এবং তার চিকিৎসার সমস্ত দায়িত্ব নেন। আয়ুষ্মান ভারত যোজনার অধীনে কানপুরের মেহরোত্রা ইএনটি ফাউন্ডেশনে খুশির ‘কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট’ সার্জারি করা হয়। সফল অস্ত্রোপচারের পর এখন খুশি শুনতে পাচ্ছে এবং অস্পষ্ট স্বরে কথা বলতে শুরু করেছে। খুশির পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে মুখ্যমন্ত্রী কেবল তার চিকিৎসাতেই থেমে থাকেননি, তাদের জন্য সরকারি আবাসনের ব্যবস্থাও করেছেন। বড় হয়ে পুলিশ অফিসার হয়ে দেশের সেবা করতে চায় খুশি, আর তার এই পুনর্জন্মের জন্য গোটা উত্তরপ্রদেশ এখন যোগী সরকারকে কুর্নিশ জানাচ্ছে।