পতন কি আসন্ন? ৩১টি প্রদেশে দাউদাউ করে জ্বলছে ইরান, ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি!

ইরানে সরকার বিরোধী আন্দোলন ত্রয়োদশ দিনে পদার্পণ করে এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির প্রতিবাদে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ এখন ১৯৭৯ সালের পর বর্তমান শাসনের অবসানের দাবিতে এক গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়েছে। ৩১টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়া এই বিদ্রোহ দমনে সরকার দেশজুড়ে ৯ কোটি মানুষের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। নেটব্লকস জানিয়েছে, সংযোগ এখন স্বাভাবিকের মাত্র ১ শতাংশে নেমে এসেছে।
নোবেলজয়ী শিরিন এবাদি সতর্ক করেছেন যে, ডিজিটাল ব্ল্যাকআউটের আড়ালে সরকার ‘গণহত্যা’র প্রস্তুতি নিচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শত শত মানুষের চোখে পেলেট গান চালানো হয়েছে এবং তেহরানের মাত্র ৬টি হাসপাতালেই ২১৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। অন্যদিকে, নির্বাসিত ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভি জনগণকে একত্রিত হয়ে সরকারকে ‘চূড়ান্ত আঘাত’ হানার আহ্বান জানিয়েছেন। ইলন মাস্কের স্টারলিঙ্ক পরিষেবা বর্তমানে বিক্ষোভকারীদের যোগাযোগের একমাত্র লাইফলাইন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “ইরান বড় বিপদে। বিক্ষোভকারীদের ওপর হত্যাকাণ্ড চললে আমরা এমনভাবে আঘাত করব যা তারা কল্পনাও করতে পারবে না।” যদিও ইরান সরকার একে ‘বিদেশি চক্রান্ত’ বলে দাবি করেছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে সর্বোচ্চ কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি এখন অগ্নিগর্ভ।