উত্তর-পূর্ব সীমান্তে ‘মুক্তিযুদ্ধের’ রেজিমেন্ট! ভারতের বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি? চাঞ্চল্যকর পদক্ষেপে জল্পনা তুঙ্গে

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ক্রমবর্ধমান চিনা তৎপরতা এবং পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে উদ্বেগের মাঝেই বড়সড় পদক্ষেপ নিল ভারতীয় সেনাবাহিনী। উত্তর-পূর্ব ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে সেই বিশেষ রেজিমেন্টকে, যারা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ‘মুক্তি বাহিনী’কে প্রশিক্ষণ দিয়েছিল এবং যুদ্ধের ময়দানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
সেনা সূত্রে খবর, ইস্টার্ন কমান্ডের অধীনে থাকা ৩৩ নম্বর কোরের ২০ নম্বর মাউন্টেন ডিভিশনের জওয়ানদের এই স্পর্শকাতর এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে। ১৯৭১-এর যুদ্ধে ৪, ৬ এবং ৮ মাউন্টেন ডিভিশনের যে কৌশলগুলো আজও জওয়ানদের প্রশিক্ষণের পাঠ্য, সেই অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রেজিমেন্টকেই সীমান্তে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত। প্রতিরক্ষামন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তকে নিছক টহলদারি হিসেবে দেখছেন না সামরিক বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, সীমান্ত সংলগ্ন বাংলাদেশের ভূখণ্ডে চিনা প্রতিরক্ষা আধিকারিকদের আনাগোনা ভারতের নিরাপত্তার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
শিলিগুড়ির ‘চিকেন নেক’ করিডোরকে সুরক্ষিত রাখতে ইতিমধ্যে তিনটি নতুন সেনা ছাউনি তৈরি করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে ব্রহ্মস মিসাইল এবং এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমও। মিজোরামে গড়ে তোলা হচ্ছে উত্তর-পূর্ব ভারতের বৃহত্তম সেনা ছাউনি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশলে পারদর্শী এই রেজিমেন্টকে সীমান্তে আনা আসলে শত্রুপক্ষকে দেওয়া এক কঠোর হুঁশিয়ারি।