OMG! বিরিয়ানি নিয়ে ঝগড়া, নিউইয়র্কে বাঙালি রেস্তোরাঁয় আগুন, ভাইরাল ভিডিও

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে বাঙালি এক রেস্তোরাঁয় আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। চিকেন বিরিয়ানি অর্ডার নিয়ে বাকবিতণ্ডার কারণে দাহ্য পদার্থ ঢেলে রেস্টুরেন্টটিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত অগ্নিসংযোগকারী ব্যক্তিকে আটক করেছে নিউইয়র্ক পুলিশ।
বাঙালি ওই রেস্তোরাঁটি নিউইয়র্ক শহরের কুইন্স এলাকায় অবস্থিত। বুধবার (১৯ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট এবং এনডিটিভি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগুন লাগিয়ে দেওয়া নিউইয়র্কের ওই বাঙালি রেস্তোরাঁর নাম ‘ইত্যাদি গার্ডেন অ্যান্ড গ্রিল’। রেস্তোরাঁটি নিউইয়র্ক শহরের কুইন্স এলাকার জ্যাকসন হাইটসে অবস্থিত।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত অগ্নিসংযোগকারী ব্যক্তির নাম চোফেল নরবু। ৪৯ বছর বয়সী এই ব্যক্তি ‘ইত্যাদি গার্ডেন অ্যান্ড গ্রিল’ রেস্তোরাঁয় আগুন লাগানোর কথা স্বীকার করেছে। আটকের পর তার বিরুদ্ধে অগ্নিসংযোগ ও অপরাধমূলক অপকর্মের অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযুক্ত এই ব্যক্তি দাবি করেন, বাঙালি এই রেস্তোরাঁর কর্মীরা আগের রাতে দেওয়া তার চিকেন বিরিয়ানির অর্ডারে তালগোল পাকিয়েছিল। আর তাই পরের দিন নরবু আবারও ওই খাবারের দোকানে যান এবং একপর্যায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।
নিউইয়র্ক পোস্ট অনুসারে, গ্রেপ্তারের পর অভিযুক্ত নরবু পুলিশকে জানায়- ‘আমি খুব মাতাল ছিলাম। আমি চিকেন বিরিয়ানি কিনেছিলাম। কিন্তু তারা আমাকে চিকেন বিরিয়ানি দেয়নি। আমি উন্মাদ ছিলাম এবং একপর্যায়ে আমি তা ফেলে দেই।’
View this post on Instagram
৪৯ বছর বয়সী এই অভিযুক্তের দাবি, ‘আমি গ্যাসের একটি ক্যান কিনেছিলাম এবং আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার জন্য সেটি দোকানে নিক্ষেপ করি। পরে আমি আগুন ধরিয়ে দিই এবং এটি (আগুন) আমার গায়েও লেগেছিল।’
এদিকে বাঙালি রেস্তোরাঁয় আগুন ধরিয়ে দেওয়ার এই ঘটনাটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে এবং নিউইয়র্কের ফায়ার ডিপার্টমেন্ট সেই ভিডিও প্রকাশ করেছে। ফুটেজে নরবু নামে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তিকে রেস্তোরাঁর বাইরে দাহ্য তরল ছুঁড়ে আগুন লাগানোর আগে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
অবশ্য ঘটনার রাতে রেস্তোরাঁটি বন্ধ ছিল এবং নরবু দোকানের শাটারে দাহ্য তরলটি ছুড়ে আগুন জ্বালিয়ে সেখান তাকে সরে পড়েন। পরে তাকে আটক করে পুলিশ।
বাঙালি এই রেস্তোরাঁটি কুইন্স এলাকার বহুসংস্কৃতির মেলবন্ধন হিসেবে পরিচিত জ্যাকসন হাইটসে অবস্থিত। এই এলাকায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ছোট একটি সম্প্রদায়ের বাসস্থানও রয়েছে।