‘এআই যুগে পাঠক্রমের রূপান্তর’! স্লোভাকিয়ায় আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের শিক্ষাপদ্ধতির দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার!

‘এআই যুগে পাঠক্রমের রূপান্তর’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক আলোচনাসভায় যোগ দিতে স্লোভাকিয়ার রাজধানী ব্রাতিস্লাভায় গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। অর্গানাইজেশন অফ ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি) এবং স্লোভাকিয়া সরকারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় তিনি এআই নিয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গী ও ভূমিকা আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরেন।
আলোচনা সভার প্রেক্ষাপট
সভার নাম: গ্লোবাল ফোরাম ফিউচার অব এডুকেশন অ্যান্ড স্কিলস ২০৪০-র প্লেনারি ওয়েলকাম সেশন।
আয়োজক: স্লোভাকিয়া সরকার ও ওইসিডি।
উপস্থিতি: এতে বিশ্বের মোট ৩৮টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সুকান্ত মজুমদার ছাড়াও স্লোভাকিয়ার শিক্ষামন্ত্রী তোমাস দ্রুকার এবং ওইসিডি-র ডিরেক্টর আন্দ্রেয়াস শ্লাইকহার সহ তাবড় শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন।
মূল আলোচ্য: এআই-এর অগ্রগতি, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাক্রমে এআই-এর পাঠক্রম এবং শিক্ষকদের এআই-সমৃদ্ধ শিক্ষাদান পদ্ধতির জন্য প্রস্তুত করা।
ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি ও সুকান্তর বক্তব্য
কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার ভারতের প্রতিনিধিত্ব করে চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করেন:
১. বহুভাষিক ও সহজলভ্য শিক্ষা: ভারতে নানা ভাষায় পঠনপাঠন হয় এবং এর জন্য ৫০ হাজারের বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ২. প্রযুক্তিগত স্মার্ট সরঞ্জাম: শিক্ষাকে আধুনিক করে তুলতে প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট সরঞ্জামের ব্যবহার। ৩. উচ্চশিক্ষায় আরও উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষার্থীকে দক্ষ করে তোলা। ৪. এআই পাঠক্রমে জোর: তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্কুল শিক্ষা থেকেই এআই পাঠক্রম নিয়ে আসা হোক। সেভাবে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে পঠনপাঠন করানো উচিত। আমাদের দেশের নীতি আয়োগ স্কুল শিক্ষা থেকে উচ্চ শিক্ষায় এআইকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে।
সুকান্ত মজুমদার বলেন, “ভারতের শিক্ষাপদ্ধতির লক্ষ্য হল ছাত্রছাত্রীদের বিকাশ ও ক্ষমতায়নকে তুলে ধরা এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নতি।” এই আন্তর্জাতিক বৈঠকে যোগদান করে তিনি তাঁর অভিজ্ঞতার কথা এক্স (X) হ্যান্ডলে শেয়ার করেছেন।