“৩০ সেকেন্ড ধরে কাঁপল!” সকালে ভূমিকম্পে উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে আতঙ্ক, বাংলাদেশে মৃত্যু অন্তত ৬ জনের

আজ, ২১ নভেম্বর শুক্রবার সকালে জোরাল ভূমিকম্প অনুভূত হলো কলকাতা-সহ গোটা পশ্চিমবঙ্গে। সকাল ১০টা ৯ মিনিট নাগাদ এই কম্পন শুরু হয় এবং টানা প্রায় ৩০ সেকেন্ড ধরে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় কম্পন বোঝা যায়। আতঙ্কিত মানুষজন ঘর ও অফিস ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ও তীব্রতা:

মৌসম ভবনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশে।

তীব্রতা: রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৭।

কেন্দ্রস্থল (Epicentre): বাংলাদেশের ঢাকা থেকে প্রায় ২৪ কিলোমিটার দূরে নরসিংডিতে ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল।

গভীরতা: উৎস্থল ছিল ভূ-পৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। উৎস্থল অগভীর হওয়ার কারণেই কম্পন এত জোরাল অনুভূত হয়।

বাংলাদেশে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি:

ভূমিকম্পের জেরে বাংলাদেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যাচ্ছে। প্রাথমিক রিপোর্টে জানা গেছে, এই ঘটনায় কমপক্ষে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকা-সহ বিভিন্ন এলাকায় বাড়িঘরের আংশিক ক্ষতির খবর মিলেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গে প্রভাব:

ভূমিকম্পের জেরে কলকাতাসহ মালদা, কোচবিহার, শিলিগুড়ি, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, নদীয়া এবং পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে প্রবলভাবে কম্পন অনুভূত হয়। উঁচু অফিস ও বহুতল থেকে আতঙ্কিত কর্মীরা দ্রুত রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। যদিও পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত কোনও বড়সড় ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।