SPORTS: দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে নেই হার্দিক-বুমরা? বোর্ডের নতুন স্ট্র্যাটেজি ফাঁস

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দিকে লক্ষ্য রেখে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (BCCI) দলের দুই প্রধান তারকা হার্দিক পান্ডিয়া এবং জসপ্রীত বুমরাহ-এর কাজের চাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য বড়সড় পরিকল্পনা নিয়েছে। জানা যাচ্ছে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে শুরু হতে চলা এক দিনের আন্তর্জাতিক (ODI) সিরিজে হার্দিক পান্ডিয়াকে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে। একই নীতি অনুসরণ করা হতে পারে বুমরাহর ক্ষেত্রেও।

কেন এই বিশ্রাম? বোর্ডের পরিকল্পনা কী?
এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলতে গিয়ে পায়ে চোট পেয়েছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। যদিও তিনি এখন সম্পূর্ণ সুস্থ, তবুও বিসিসিআই তাঁকে কোনও চাপ নিতে দিতে চাইছে না।

গম্ভীরের পরিকল্পনা: নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিসিসিআই-এর এক আধিকারিক সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানান, গৌতম গম্ভীর এবং বোর্ড হার্দিককে এখন থেকে কেবল টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটেই মনোনিবেশ করাতে চান।

শারীরিক চাপ: ওই আধিকারিক বলেন, “হার্দিক এখন সম্পূর্ণ সুস্থ হলেও, ৫০ ওভারের ম্যাচে খেললে তাঁকে আবার চাপ নিতে হবে। সেটা তাঁর শরীরের জন্য ভালো নাও হতে পারে। তাই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত তাঁকে ৫০ ওভারের ম্যাচ থেকে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে। মেডিকেল টিম পুরো বিষয়টিতে নজর রাখবে।”

এই পরিকল্পনার অর্থ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে হার্দিককে যেন কোনোভাবেই গুরুতর চোটের সম্মুখীন হতে না হয়।

বুমরাহর ক্ষেত্রেও একই নীতি
টিম ম্যানেজমেন্ট একই কৌশল প্রয়োগ করতে পারে তারকা পেসার জসপ্রীত বুমরাহ-এর ক্ষেত্রেও। তাঁকেও প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে ৫০ ওভারের ওয়ানডে সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে। বুমরাহ বর্তমানে টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দলের মূল ভরসা।

দলে ফেরার রুট ম্যাপ
হার্দিক পান্ডিয়া সম্ভবত প্রথমে ঘরোয়া ক্রিকেট, অর্থাৎ সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফিতে বরোদার হয়ে খেলে নিজের ফিটনেস প্রমাণ করবেন। এরপর সব ঠিক থাকলে তাঁর দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলার সম্ভাবনা রয়েছে।

শুভমন গিলের চোটের আপডেট
অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ঘাড়ে চোট পেয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক শুভমন গিল। তবে স্বস্তির খবর, তিনি দ্বিতীয় ম্যাচের ভেন্যু গুয়াহাটিতে পৌঁছেছেন। যদিও তিনি দ্বিতীয় টেস্টে খেলবেন কি না, তা এখনও পরিষ্কার নয়। বোর্ড জানিয়েছে, চিকিৎসকেরা নিয়মিত তাঁর ঘাড়ের চোট পর্যবেক্ষণ করবেন এবং তার উপর ভিত্তি করেই তাঁর খেলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অর্থাৎ, ভারত অধিনায়ক এখনও পুরোপুরি ছিটকে যাননি।