গঙ্গাসাগর মেলায় বিশাল আয়োজন! ৭৫০’র বেশি স্বাস্থ্যকর্মী, ৫টি হাসপাতাল, জল-খাবারে কড়া নজর

আসন্ন গঙ্গাসাগর মেলায় আগত লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবার নজিরবিহীন পদক্ষেপ করছে প্রশাসন। স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী মিলিয়ে ৭৫০’রও বেশি লোক নিয়োগ করা হবে।
স্বাস্থ্যবিভাগ বিশেষভাবে জোর দিচ্ছে পরিশ্রুত পানীয় জলের ওপর। তীর্থযাত্রীদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে ডায়মন্ডহারবার স্বাস্থ্য জেলা আগাম পরিকল্পনা নিয়েছে— মেলায় উপস্থিত আশ্রম বা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার জলের ট্যাঙ্কগুলি মেলা শুরুর আগেই জীবাণুমুক্ত করা হবে এবং ক্লোরিনেটও করা হবে।
খাবার পরীক্ষার জন্য মোবাইল ভ্যান:
খাবারের মান নিয়ন্ত্রণেও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ফুড সেফটি অফিসারদের তত্ত্বাবধানে মেলায় থাকছে ভ্রাম্যমাণ গাড়ি। এই ভ্যানগুলি দোকান, স্টল ও বিভিন্ন লঙ্গরখানা থেকে খাবারের নমুনা সংগ্রহ করবে এবং ‘অন স্পট’ পরীক্ষা করবে। মান খারাপ বেরোলেই সেই খাবার বাজেয়াপ্ত করা হবে। স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য আধিকারিক জয়ন্ত সুকুল জানিয়েছেন, লক্ষ লক্ষ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই এই পদক্ষেপগুলি করা হচ্ছে।
হাসপাতালে বেড সংরক্ষণ:
পুণ্যার্থীদের চিকিৎসার জন্য মেলা প্রাঙ্গণ ও তার আশেপাশে বিশাল পরিকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে:
অস্থায়ী হাসপাতাল: মোট পাঁচটি অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরি করা হবে। এর মধ্যে তিনটি সাগরে এবং একটি করে লট এইট ও নামখানায় থাকবে। মোট বেডের সংখ্যা ১০৫।
রিজার্ভ প্রস্তুতি: প্রয়োজনে বাড়তি আরও দুটি অস্থায়ী হাসপাতাল (মেলা গ্রাউন্ডের কাছে ও কচুবেড়িয়াতে) তৈরির প্রস্তুতি রাখা হবে।
সংরক্ষিত বেড: এর বাইরে কলকাতা থেকে সাগর পর্যন্ত একাধিক হাসপাতালে গঙ্গাসাগরে আগত পুণ্যার্থীদের জন্য ৩০০ থেকে ৩৫০টি বেড সংরক্ষিত থাকবে।