ভোটার তালিকায় SIR! রাজ্য জুড়ে বিশেষ হেল্পডেস্ক তৈরির নির্দেশ কমিশনের! কী কী নথি লাগবে? জানুন সব প্রশ্নের উত্তর

জাতীয় স্তরে ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (এসআইআর/SIR) বা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়া চালু হলে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় বিশেষ হেল্পডেস্ক তৈরির নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই বিশেষ প্রক্রিয়া সংক্রান্ত ভোটারদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্যই এই হেল্পডেস্কগুলি কাজ করবে। এই বিষয়ে রাজ্যের সমস্ত জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের ইতিমধ্যেই অবগত করা হয়েছে বলে খবর।

দিল্লিতে দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের পর পরই কমিশন এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এই সম্মেলনের পর যে কোনো দিন বাংলা-সহ গোটা দেশে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া লাগু হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে সমস্ত রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতরকে চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

কোথায় তৈরি হবে হেল্পডেস্ক?

এসআইআর (SIR) চালু হওয়ার পর প্রতিটি জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে শুরু করে ইআরও (ERO) বা এসডিও (SDO), এ-ইআরও (AERO) বা বিডিও (BDO) দফতরেও হেল্পডেস্ক তৈরি করা হবে। অর্থাৎ, জেলা, মহকুমা এবং ব্লক স্তর পর্যন্ত এই বিশেষ হেল্পডেস্ক তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কেন এই উদ্যোগ?

এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মনে বহু প্রশ্ন থাকে। যেমন— কী কী নথি দেখাতে হবে, ফর্ম কীভাবে পূরণ করতে হবে বা কোথায় ফর্ম জমা দিতে হবে। এই ধরনের যাবতীয় প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে এবং প্রক্রিয়াটি সহজভাবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই নির্বাচন কমিশন এই হেল্পডেস্ক তৈরির নির্দেশ দিয়েছে। এর মাধ্যমে সাধারণ ভোটারদের সুবিধা-অসুবিধাগুলিও জানা যাবে।

পাঁচ রাজ্যের নির্বাচন নিয়ে বিশেষ ভাবনা:

আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পণ্ডিচেরী— এই পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্রের খবর, কমিশনের সম্পূর্ণ বেঞ্চ এই রাজ্যগুলির নির্বাচনী কর্তা বা সিইও-দের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেছে এবং তাদের নিয়ে পৃথক চিন্তাভাবনাও করছে।

উল্লেখ্য, জানা গিয়েছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকার উপর ভিত্তি করেই ২০২৫ সালের এসআইআর (SIR) হবে। পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গে ম্যাপিং ও ম্যাচিং সংক্রান্ত খুঁটিনাটি তথ্য কমিশনের তরফে জানতে চাওয়া হয়েছে। কোন জায়গায় অসুবিধা হচ্ছে, সেই সমস্ত বিষয় স্পষ্ট করে জানাতে বলা হয়েছে রাজ্যকে। রাজ্যের কাছ থেকে সঠিক রিপোর্ট পাওয়ার পরই কমিশন পরবর্তী পদক্ষেপ করবে।