‘কনফিউশন’ কাটানোর উপায়! ভাইফোঁটায় হিট পূর্ব বর্ধমানের মিষ্টির ডালা, এক প্যাকেটে ৪০-৪৫ পদের চমক

রাত পোহালেই ভাইফোঁটা। আর ভাইফোঁটা মানেই মিষ্টিমুখ মাস্ট! চিরাচরিত সন্দেশ-রসগোল্লা নয়, এবারে ভাই বা দাদার পাতে একটু ভিন্ন স্বাদের চমক দিতে তৎপর দিদি-বোনেরা। আর এই চাহিদাকে মাথায় রেখেই অভিনব ভাবনা নিয়ে পসরা সাজিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের কালনার বারুইপাড়া এলাকার এক মিষ্টি ব্যবসায়ী।
মিষ্টির ডালায় একসঙ্গে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ রকমের মিষ্টির আয়োজন করে ক্রেতাদের ‘পছন্দের বিভ্রান্তি’ দূর করার চেষ্টা হয়েছে। দোকানদাররা প্রায় শতাধিক ভিন্ন স্বাদের, গন্ধে ও আকারের মিষ্টি নিয়ে বসলেও, ক্রেতাদের সুবিধার জন্য এই বিশেষ ‘মিষ্টির ডালা’র চাহিদা এখন তুঙ্গে।
কেন এই ডালা এত জনপ্রিয়?
সাধারণত, দোকানে এত ধরনের মিষ্টি দেখলে ক্রেতাদের কোনটা ছেড়ে কোনটা নেবেন, সেই নিয়ে বিভ্রান্তি শুরু হয়। এই সমস্যা দূর করতেই মিষ্টির ডালা তৈরি করেছেন ব্যবসায়ীরা। মিষ্টি ব্যবসায়ী অভিজিৎ মোদক জানান, ক্রেতারা যাতে সহজে সব স্বাদের মিষ্টির স্বাদ নিতে পারেন, তাই এই প্যাকেজ তৈরি করা হয়েছে।
এই ডালাগুলিতে রয়েছে হরেক রকমের মিষ্টির সমাহার:
বিশেষ আকর্ষণ: ভাইফোঁটা লেখা সন্দেশ, মকটেল সন্দেশ, পাতুরি সন্দেশ, ক্ষীর নারকেল এবং অবশ্যই ক্যাডবেরি ফ্লেভারের মিষ্টি।
অন্যান্য আইটেম: মিষ্টির পাশাপাশি নোনতা ও ঝাল স্বাদের জিনিসও রাখা হয়েছে। যেমন, সিঙ্গারা এবং নিমকি।
দোকানদারদের বক্তব্য, এতে আধুনিক মানের বিভিন্ন মিষ্টির সঙ্গে রাখা হয়েছে নোনতা, ঝাল, ক্যাডবেরি সমস্ত কিছুই। আলাদা আলাদা মানুষের পছন্দ অনুযায়ী ভিন্ন স্বাদের মিষ্টি রয়েছে ডালায়। একটি ডালা কিনলেই ভাইফোঁটার জন্য সব মিষ্টির চাহিদা পূরণ হয়ে যাচ্ছে, পাশাপাশি এর দামও রয়েছে নাগালের মধ্যেই। দিদি-বোনেদের পছন্দের তালিকায় ইতিমধ্যেই শীর্ষস্থান দখল করেছে এই মিষ্টির ডালা।