রেলমন্ত্রীর বড় ঘোষণা: খরচ কমবে, ডেলিভারি হবে রকেটের গতিতে! কনকরের সাথে ৩ চমক

রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব মঙ্গলবার পণ্যবাহী পরিষেবাতে তিনটি নতুন উদ্যোগের সূচনা করলেন, যার লক্ষ্য হল বিভিন্ন ব্যবসা এবং শিল্পকে প্রথম এবং শেষ প্রান্তের সংযোগ প্রদান করা। কনটেইনার কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড (কনকর)-এর সহযোগিতায় এই উদ্যোগগুলি চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে উত্তর প্রদেশে একটি সমন্বিত লজিস্টিক কেন্দ্র স্থাপন, দিল্লি ও কলকাতার মধ্যে একটি সময়-নির্দিষ্ট কন্টেইনার ট্রেনের পরিচালনা এবং মুম্বাই ও কলকাতার মধ্যে একটি ‘ডোর-টু-ডোর’ পার্সেল পরিষেবা।
বৈষ্ণব সাংবাদিকদের জানান, এই ‘ডোর-টু-ডোর’ পার্সেল পরিষেবাতে খরচ ৭.৫ শতাংশ কমবে এবং সড়কপথে পার্সেল পাঠানোর তুলনায় ৩০ শতাংশ দ্রুত পণ্য পৌঁছাবে। রেলমন্ত্রীর কথায়, “ডোর-টু-ডোর পার্সেল পরিষেবা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি প্রকৃত দক্ষতা আনবে এবং লজিস্টিক খরচ কমিয়ে আনবে।” তিনি আরও জানান, বিভিন্ন পরীক্ষামূলক প্রয়োগ ও তার থেকে পাওয়া শিক্ষার ভিত্তিতেই এই তিনটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রেলমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে দিল্লি এবং কলকাতার মধ্যে প্রথম সময়-নির্দিষ্ট কন্টেইনার ট্রেনটি চালু করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও এমন ট্রেন যুক্ত করা হবে। রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং সিইও সতীশ কুমার জানিয়েছেন যে লখনউ থেকে ৫০ কিলোমিটার এবং কানপুর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে সোনিক-এ অবস্থিত রেলওয়ে গুডস শেডটিকে একটি সমন্বিত লজিস্টিক কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলা হবে।
কুমার আরও জানান, দিল্লি এবং কলকাতার মধ্যে চালু হওয়া সময়-নির্দিষ্ট কন্টেইনার ট্রেনের লক্ষ্য হল মাত্র ১২০ ঘন্টার মধ্যে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা। এই ট্রেনটি বুধ ও শনিবার চলবে এবং আগ্রা ও কানপুর—এই দুটি মধ্যবর্তী টার্মিনালে পণ্য ওঠানো-নামানোর সুবিধা পাওয়া যাবে।