‘১৫০-র কম আসন পেলে হারব!’ বিহার নির্বাচন নিয়ে পিকে-র ভবিষ্যৎবাণী, জাতীয় রাজনীতিতে প্রভাবের দাবি

আসন্ন বিহার বিধানসভা নির্বাচনে তিনি নিজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। জন সুরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor) আজ এই কথা জানিয়ে দিলেন। দলের বৃহত্তর স্বার্থ রক্ষার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন। শুধু তাই নয়, নির্বাচনে দেড়শোর কম আসন পেলে তা জন সুরাজ পার্টির পরাজয় হিসেবেই দেখবেন বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন এই প্রাক্তন রাজনৈতিক কৌশলবিদ।
পিটিআই-কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রশান্ত কিশোর বলেন, “যদি জন সুরাজ পার্টি বিহার নির্বাচনে জয়লাভ করে, তবে এর একটি দেশব্যাপী প্রভাব পড়বে। জাতীয় রাজনীতির দিকনির্দেশ ভিন্ন হবে।”
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি জানান, “পার্টি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে আমার বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা উচিত নয়। সেই কারণে, তেজস্বী যাদবের বিরুদ্ধে রাঘোপুর থেকে অন্য একজন প্রার্থীকে দল ঘোষণা করেছে। এটি ছিল দলের বৃহত্তর স্বার্থে নেওয়া একটি সিদ্ধান্ত। যদি আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতাম, তবে এটি আমাকে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক কাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করত।”
নির্বাচনে তাঁর দলের সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে প্রশান্ত কিশোর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে আমরা হয় ভালোভাবে জিতব অথবা বড়সড় পরাজয়ের সম্মুখীন হব। হয় ১০-এর কম আসন পাব অথবা ১৫০-এর বেশি আসনে জিতব। এর মাঝে আর কিছুর সম্ভাবনা নেই।”
তিনি আরও স্পষ্ট করে দেন, “১৫০-র কম আসন, এমনকী যদি তা ১২০ বা ১৩০ হয়, তা আমার জন্য পরাজয় হবে।”
প্রশান্ত কিশোরের বক্তব্য, যদি জন সুরাজ ভালো ফল করে, তবে বিহারকে দেশের ১০টি উন্নত রাজ্যের মধ্যে স্থান দেওয়ার ম্যান্ডেট তারা পাবে। অন্যদিকে, যদি তারা যথেষ্ট ভালো না করে, তার অর্থ হবে জনগণ তাদের উপর যথেষ্ট আস্থা দেখাননি এবং দলের উচিত হবে তাদের বর্তমান রাস্তা ও সমাজের রাজনীতি চালিয়ে যাওয়া।
বিহার নির্বাচন দুটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে ৬ নভেম্বর এবং ১১ নভেম্বর। ভোট গণনা হবে ১৪ নভেম্বর।