মর্গ থেকে নিথর দেহ টেনে বের করে ‘উদ্ভিদ্য যৌনতা’! তরুণীর মরদেহের সঙ্গে সঙ্গম, এক বছর পর সিসিটিভি ফুটেজে ফাঁস কেলেঙ্কারি

এক চরম অমানবিক এবং হাড়হিম করা ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে মধ্যপ্রদেশে। সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মর্গ থেকে এক তরুণীর নিথর দেহ টেনে বের করে তার সঙ্গে উদ্দাম যৌনতায় লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক তরুণের বিরুদ্ধে। ঘটনার এক বছর পর সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে সেই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের বুরহানপুর জেলায়। পুলিশ জানিয়েছে, হাসপাতালের মর্গে এক তরুণীর নিথর দেহের সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক তরুণের বিরুদ্ধে। ঘটনার এক বছর পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্ত তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই জঘন্য ঘটনাটি ঘটেছিল গত বছর ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে। সম্প্রতি খাকনার কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মর্গের সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের হাতে আসে। ফুটেজে দেখা যায়, ২৫ বছর বয়সি অভিযুক্ত নীলেশ ভাইলালা (ভাউরাঘাট এলাকার বাসিন্দা) চুপিসারে মর্গে প্রবেশ করে। সেখানে ময়নাতদন্তের জন্য রাখা ছিল তরুণীর মৃতদেহ।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, নীলেশ মর্গে ঢুকে স্ট্রেচার থেকে তরুণীর নিথর দেহ বের করে আনে এবং সেখানেই উদ্দাম সঙ্গমে লিপ্ত হয়। শুধু তাই নয়, তরুণীর দেহটি সে মর্গ থেকে টেনে বাইরেও নিয়ে যায়, যেখানে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না। সেখানেই মৃতদেহের সঙ্গে সে যৌনতায় লিপ্ত হয় বলে অভিযোগ। এরপর নিথর দেহটিকে টেনে হিঁচড়ে আবারও মর্গে এনে স্ট্রেচারের পাশে রেখে সে পালিয়ে যায়।

চলতি বছর অক্টোবর মাসে সেই সিসিটিভি ফুটেজ নজরে আসে হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. আদিত্য দাওয়ারের। এর পরই তিনি খাকনার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত অভিযুক্ত নীলেশ ভাইলালাকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত তরুণের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। কী পরিস্থিতিতে, কী কারণে সে এই জঘন্য কাজ করল, কীভাবে সে মর্গে পৌঁছল এবং হাসপাতালের নিরাপত্তার গাফিলতি ছিল কিনা—সেই সমস্ত দিক খতিয়ে দেখতে অভিযুক্তকে এখনও জেরা করা হচ্ছে।