‘জেলার পুলিশ সুপার নেই কেন?’ পাঁশকুড়া হাসপাতালে ক্ষুব্ধ মহিলা কমিশনের সদস্য, তদন্তের গতি নিয়ে প্রশ্ন

পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে রোগীদের গাফিলতি নিয়ে অভিযোগের তদন্তে এলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদার। ৭০ জনের মধ্যে তিনি ৪১ জন রোগী ও রোগীর পরিবারের বয়ান রেকর্ড করেন। একই সঙ্গে হাসপাতালের একাধিক অব্যবস্থা ও গাফিলতির বিষয় তুলে ধরে তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

হাসপাতালে তদন্ত চলাকালীন একাধিক ত্রুটি চোখে পড়ে মহিলা কমিশনের সদস্যের। তিনি অভিযোগ করেন, হাসপাতালে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। কর্মস্থলে মহিলাদের ওপর যৌন হেনস্তা রুখতে গঠিত ‘পশ কমিটি’-র সদস্যরাও অনুপস্থিত। এছাড়াও, রোগী কল্যাণ সমিতিতে কোনও নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এমনকি, ১৭ বছর আগে এক নির্যাতিতার সঙ্গেও তিনি কথা বলেন।

তবে তদন্তের সময় জেলা পুলিশ সুপারের অনুপস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ প্রকাশ করেন অর্চনা মজুমদার। তিনি এই বিষয়ে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করে সফরসূচি পরিবর্তন করেন এবং কোলাঘাট থার্মাল গেস্ট হাউসে চলে যান। এই ঘটনায় হাসপাতালের প্রশাসনিক গাফিলতি আরও একবার প্রকাশ্যে এসেছে, যা এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।