OMG! ২০০ ফুট গভীর গর্ত থেকে আসছে শিশু কান্না, ৭ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় উদ্ধার

অসাবধানতার কারণে প্রায় ২০০ ফুট গভীর গর্তে পরে যায় দুই বছরের এক শিশু। গর্তের অন্ধকারে গরমে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছিল শিশুটি। অবশেষে দীর্ঘ সাত ঘণ্টার চেষ্টায় উদ্ধার করা হয় তাকে।
বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভারতের রাজস্থানের দৌসার বান্দিকুই থানা এলাকার জাস্সা পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় স্থানীয় প্রশাসন। দৌসার সিভিল ডিফেন্স এসডিআরএফ দলও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। সাত ঘণ্টার উদ্ধারকার্যের পরে অভিযান সফল হয়। নিরাপদে বেরিয়ে আসে শিশুটি। মেয়েটির নাম অঙ্কিতা।
তাকে উদ্ধারের কাজটি তাই অপারেশন অঙ্কিতা নামে চিহ্নিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এ অপারেশন চালিয়েছে। শিশুর কোনো ক্ষতি হয়নি। সে শেষ পর্যন্ত নিরাপদ ছিল। জেলা প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দলের সাত ঘণ্টার কঠোর পরিশ্রমের পর দেড় বছরের অঙ্কিতাকে বোরওয়েল থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
উদ্ধার পর্বের পুরো সময় জুড়ে গোটা রাজস্থান যেন মানসিকভাবে সংযুক্ত হয়ে পড়ে। গোটা রাজ্য অঙ্কিতার জন্য প্রার্থনা জানিয়েছে। সে যেন নিরাপদে গর্ত থেকে বেরিয়ে আসতে এজন্যই প্রার্থনা করেছে তারা। অঙ্কিতাকে উদ্ধারের পরেই স্থানীয় প্রশাসন সতর্কতা জারি করেছে। মেয়েকে গর্ত থেকে বের করে আনার সঙ্গে সঙ্গেই কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার।
দৌসার কালেক্টর কমর চৌধুরী বলেছেন, বান্দিকুই তহসিলদার এবং মান্দাওয়ার এসডিএমকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।
অঙ্কিতার পরিবারের সূত্রে জানানো হয়েছে, বোরওয়েলটি পানিশূন্য ছিল। এটি প্রায় ৪০০ ফুটের গর্ত ছিল। অঙ্কিতার দাদু এটাকে একটু একটু করে ভরাট করছিলেন। এটা অবশেষে ২০০ ফুটে এসে থামে। আজও তিনি গর্ত ভরাটের কাজই করছিলেন। মাঝে একবার ক্লান্ত হয়ে পানি খেতে ঢুকেছিলেন। এরই মধ্যে অঙ্কিতা গর্তে পড়ে যায়। এতেই বিপদ ঘটে যায়।
মেয়েটির কান্না অবশ্য শোনা যাচ্ছিল। উদ্ধারকারী দল এসে প্রথমেই গর্তে অক্সিজেন সরবরাহ করতে শুরু করে। পরে দীর্ঘ সাত ঘণ্টার চেষ্টায় তাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে।