ভারতের বিরোধিতার কারণেই কি নেপালের ক্ষমতাচ্যুত ওলি? সেনা ব্যারাকে বসেই চাঞ্চল্যকর দাবি

নেপালের সদ্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি গদি হারানোর পর এখন সেনাবাহিনীর আশ্রয়ে রয়েছেন। তবে সেখান থেকেও তিনি ভারতবিরোধী সুর বজায় রেখেছেন। তাঁর দাবি, রামের জন্মস্থান এবং লিপুলেখ-এর মতো স্পর্শকাতর ইস্যুতে ভারতকে চ্যালেঞ্জ করায় তাঁকে ক্ষমতা হারাতে হয়েছে।
ওলি বলেন, “অযোধ্যায় রামের জন্মস্থান নিয়ে বিরোধিতা করায় আমি ক্ষমতা হারিয়েছি।” উল্লেখ্য, ২০২০ সালের জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি বলেছিলেন, ভগবান রামের আসল জন্মস্থান নেপালের বীরগঞ্জের পশ্চিম দিকে, এবং ভারত একটি বিতর্কিত অযোধ্যা তৈরি করেছে।
এছাড়াও, লিপুলেখ নিয়ে ভারত ও চীনের বাণিজ্যিক চুক্তিকে কেন্দ্র করে তিনি আবারও দাবি করেন যে, লিপুলেখ ভারতের নয়, নেপালের অংশ। তিনি বলেন, ভারত ও চীনের মধ্যে এই বাণিজ্য নেপালের সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি।
গণঅভ্যুত্থান এবং সেনাবাহিনীর অনুরোধে গত ৯ই সেপ্টেম্বর ওলি প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করেন। প্রথমে তিনি পদত্যাগ করতে অস্বীকার করলেও পরে বাধ্য হন। এরপর সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে তাঁকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর পদত্যাগের পর নেপালের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন, সংসদ এবং তাঁর পৈতৃক বাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি শিবপুরি ব্যারাকে সেনার আশ্রয়ে আছেন। এই অবস্থা থেকে তিনি আবারও ভারতের বিরুদ্ধে এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছেন।