“আমাকে শেষ করে দাও…”! রাত হলেই মহিলার শীৎকার, যৌনতার উচ্চস্বরে অতিষ্ঠ পড়ুয়ারা!তারপর যা হল…..

বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছাত্রাবাসে রাতে উচ্চস্বরে যৌনতার শব্দ শোনা যাওয়ায় অন্য শিক্ষার্থীরা বিব্রত হয়ে পড়েন। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে জোর চর্চা চলছে। ভিডিওটি শেয়ার করেছেন এক তরুণী, যিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, “আমার কানে আগুন ধরছে, তোমাদের লজ্জা নেই?”
ভিডিওতে দেখা যায়, রাতে কিছু শিক্ষার্থী তাদের হোস্টেলে ফিরছিলেন। হঠাৎ করেই তারা একটি অস্বাভাবিক এবং উচ্চস্বরে শব্দ শুনতে পান। শব্দটি এতটাই জোরে ছিল যে তা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এক যুবক হেসে বন্ধুদের কাছে জিজ্ঞেস করেন, “আওয়াজটা কোথা থেকে আসছে?” এরপর একজন তরুণী একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটের দিকে ইশারা করে বলেন, “ওই ফ্ল্যাটটা হবে, কারণ সেখানকার জানলা খোলা আর লাল আলো জ্বলছে।”
শব্দটি অসহনীয় হয়ে উঠলে শিক্ষার্থীরা সেখান থেকে ছুটে চলে যান এবং চিৎকার করে বলতে থাকেন, “জানলা বন্ধ করো! আশা করি মজা পাচ্ছ!”
ভিডিওটি টিকটকে পোস্ট করার পর দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেনরা বিভিন্ন ধরনের কৌতুকপূর্ণ মন্তব্য করেন। কেউ মজা করে লিখেছেন, “ওরা কি ভূত তাড়াচ্ছিল?”, আবার কেউ লিখেছেন, “যা পাচ্ছে, আমারও সেটা চাই।” একজন ব্যবহারকারী তো বলেই ফেলেন, “আমি হলে চিৎকার করে বলতাম—FINISH HER!”
তবে, অনেক ব্যবহারকারী এই ঘটনার সমালোচনাও করেছেন। তারা বলছেন, পড়াশোনার পরিবেশে এমন ঘটনা অন্যদের জন্য মানসিক চাপ তৈরি করতে পারে।
কয়েক মাস আগেও বার্মিংহামে একই ধরনের একটি ঘটনা আন্তর্জাতিক শিরোনাম হয়েছিল। ন্যাশনাল এক্সপ্রেসের একটি বাসে এক দম্পতিকে প্রকাশ্যে যৌনকর্মে লিপ্ত হতে দেখা যায়। সেই ঘটনার ভিডিওটিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল।
এই ধরনের ঘটনা সমাজে নৈতিক বিতর্ক তৈরি করছে। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, যখন ব্যক্তিগত মুহূর্ত জনসমক্ষে চলে আসে, তখন তা একদিকে হাস্যরসের খোরাক হলেও, অন্যদিকে তা লজ্জার কারণ হতে পারে এবং তরুণ প্রজন্মের উপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এখনও এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ছাত্রাবাসে নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।