‘বাড়িতে কেউ নেই, তাড়াতাড়ি এসো!’, প্রেমিকার বাড়িতে যেতেই যা হলো…? রক্তাক্ত অবস্থায় ফিরলেন যুবক তারপরই মৃত্যু

প্রেমিকার ফাঁকা বাড়িতে শারীরিক সম্পর্কের টানে গিয়ে ভয়াবহ বিপদের শিকার হলেন এক যুবক। প্রেমিকাকে খুনের অভিযোগের পর পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে যে এটি একটি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে খুন কিনা। এই ঘটনা ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তরপ্রদেশের সম্বল জেলায়।
কী ঘটেছিল সেই রাতে?
মৃত যুবকের নাম অনীশ (৪৫)। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অনীশের সঙ্গে তার প্রতিবেশী সীতারা নামে এক মহিলার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। সীতারা অনীশকে জানান যে তার স্বামী রাইস আহমেদ বাড়িতে নেই, তাই তিনি অনীশকে তার বাড়িতে ডেকে পাঠান। অনীশ সেই সুযোগে সীতারাকে দেখা করতে এলে রাইস আহমেদ ও সীতারা তাকে নির্মমভাবে মারধর করে। প্লায়ার ও স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে তার শরীর ক্ষতবিক্ষত করে দেওয়া হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় কোনোরকমে বাড়িতে পালিয়ে এলেও সেখানেই অনীশের মৃত্যু হয়।
পরিবারের অভিযোগ ও পুলিশের তদন্ত
অনীশের বাবা মুস্তাকিন পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছেন যে, এই দম্পতির কাছে তার ছেলে সাত লক্ষ টাকা ধার দিয়েছিল। বিয়ের প্রস্তুতি হিসেবে সেই টাকা ফেরত চাইতে গেলে দম্পতি তাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে খুন করে। তবে পুলিশ এই অভিযোগের পাশাপাশি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের দিকটিও খতিয়ে দেখছে। পুলিশ আধিকারিক রাজেশ কুমার শ্রীবাস্তব জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সীতারার সঙ্গে অনীশের সম্পর্ক ছিল। রাইস আহমেদ সেই সম্পর্কের কথা জানতে পেরে অনীশকে খুনের পরিকল্পনা করে। জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যায়, সীতারার সঙ্গে রাইসেরও এই খুনের পরিকল্পনায় হাত ছিল।
তবে, সীতারা কেন অনীশের সঙ্গে তার স্বামীকে খুন করতে রাজি হলেন, সে বিষয়ে পুলিশ এখনও নিশ্চিত নয়। বর্তমানে পুলিশ ওই দম্পতিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং খুনের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছে।