“ওঁর যে ধরনের হীরে পছন্দ তা আমি কিনে দিতে…” সুস্মিতার সঙ্গে ব্রেকআপের আসল কারণ জানালেন রহমান

৫০ বছর বয়সী অভিনেত্রী সুস্মিতা সেনের জীবনে বহু প্রেম এলেও তিনি আজও অবিবাহিত। একজন অসাধারণ অভিনেত্রী হওয়ার পাশাপাশি তাঁর উদার মনের পরিচয় বহুবার মিলেছে। তবে তাঁর জীবনে প্রেমের আনাগোনা থাকলেও কোনো সম্পর্কই বিয়ের পিঁড়ি পর্যন্ত এগোয়নি।

কিছু মাস আগেই রহমান শলের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর যখন প্রাক্তন আইপিএল কর্তা ললিত মোদীর সঙ্গে সুস্মিতাকে দেখা যায়, তখন নেট দুনিয়া জুড়ে তাঁর চরিত্র নিয়ে তুমুল চর্চা চলেছিল। অনেকেই অভিনেত্রীকে ‘সুবিধাবাদী’ বলে তকমা দিয়েছিলেন। বহু মানুষ মন্তব্য করেছিলেন যে, তিনি নাকি কেবল অর্থের লোভে রহমানকে ছেড়ে ললিত মোদীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন।

যদিও পরবর্তীকালে সুস্মিতা স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, তিনি অবিবাহিত এবং বর্তমানে কারও সঙ্গে কোনো প্রেমের সম্পর্কে নেই। এর কিছুদিন পরই আবার সুস্মিতাকে রহমানের সঙ্গে দেখা যায়, যা ভক্তদের মনে প্রশ্ন তোলে – তাহলে কি বিশ্বসুন্দরী পুরোনো প্রেমের কাছেই ফিরে গেলেন? তবে কি এবার তিনি বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন?

সম্প্রতি ইনস্ট্যান্ট বলিউডের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন রহমান শল। সুস্মিতার সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে তিনি খোলামেলা আলোচনা করেন। রহমান বলেন, “আমরা শুধুই বন্ধু। এর বাইরে আমাদের অন্য কোনো সম্পর্ক নেই।”

তাঁদের পূর্ব বিচ্ছেদের কোনো নির্দিষ্ট কারণ সরাসরি না বললেও রহমান এক ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “ওঁর যে ধরনের হীরে পছন্দ তা আমি এখনই কিনে দিতে পারছি না। যেদিন আমি পারব সেদিন অবশ্যই কিনে দেব। ওঁর কাছে ২২ ক্যারেটের হীরে রয়েছে, যা অত্যন্ত মূল্যবান। এত বেশি টাকা আয় করতে অনেক সময় লাগবে আমার।”

তবে রহমানের এই ‘হীরে’র প্রসঙ্গ উল্লেখ করার পর একটি পুরোনো সাক্ষাৎকারে সুস্মিতার মন্তব্য মনে করিয়ে দিয়েছেন অনেকে। সুস্মিতা সেই সময় বলেছিলেন, “আমার যা প্রয়োজন আমি নিজেই তা কিনে নিতে পারি। আমাকে কাউকে হীরে উপহার দিতে হবে না। অনেক বছর আগে আমি নিজেকে ২২ ক্যারেটের একটি আংটি উপহার দিয়েছিলাম, তাই আমি অন্য কারও মুখাপেক্ষী নই।”

রহমানের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে সুস্মিতা আগেও বলেছিলেন, “আমরা ভালো বন্ধু হয়ে নিজেদের যাত্রা শুরু করেছিলাম, ভালো বন্ধু হয়ে থাকব। ভালোবাসাও থেকে যাবে।” সুস্মিতার পাশাপাশি রহমানও এখন নিজেকে ‘সিঙ্গেল’ বলেই দাবি করেন। তবুও সুস্মিতার সঙ্গে রহমানকে একসঙ্গে দেখলেই বিশ্বসুন্দরীর ভক্তদের মন কেমন যেন উচাটন করে ওঠে, তাঁদের সম্পর্কের ভবিষ্যতের ব্যাপারে একটা চাপা উত্তেজনা রয়েই যায়।