বিশেষ: শিবলিঙ্গে জল ঢালার সময় মিশিয়েনিন এই মিষ্টি খাবার, তাতেই চাকরি-ব্যবসায় উন্নতি

বাঙালি পঞ্জিকা অনুসারে আগামী ২১ জুলাই শ্রাবণ মাসের প্রথম সোমবার। যদিও অবাঙালিরা অনেকেই গতকাল শ্রাবণ মাসের প্রথম সোমবার পালন করেছেন। শ্রাবণ মাসকে দেবাদিদেব মহাদেবের মাস বলে বিশ্বাস করা হয়। তাই এই মাস জুড়ে ভক্তরা ভক্তিভরে শিবের আরাধনা করেন। শ্রাবণ মাসের সোমবারগুলিতে অনেকে উপবাস করেন এবং শিবলিঙ্গে জল ঢালেন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, শ্রাবণ মাসে শিবলিঙ্গে জল ঢাললে মহাদেবের বিশেষ কৃপা লাভ হয় এবং শিবের আশীর্বাদে জীবন ধন্য হয়।

জ্যোতিষ মতে, শিবলিঙ্গে জল ঢালার সময় কিছু বিশেষ নিয়ম মেনে চললে মহাদেব তুষ্ট হন। জলে কিছু নির্দিষ্ট জিনিস মিশিয়ে নিবেদন করলে শুভ ফল পাওয়া যায়।

শিবলিঙ্গে ঢালার জন্য জলে কী মেশাবেন?
গঙ্গাজল: পুরাণ অনুযায়ী, ভগবান শিবের মাথা থেকেই মা গঙ্গার উৎপত্তি হয়েছে। তাই জলে গঙ্গাজল মিশিয়ে শিবলিঙ্গে ঢাললে মহাদেব তুষ্ট হন এবং এর ফলে অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটে।

মধু: জলে মধু মিশিয়ে শিবলিঙ্গে ঢালুন। এতে শিবের আশীর্বাদ পাওয়া যায় এবং চাকরি-ব্যবসায় উন্নতি হয়।

দই: জলে দই মিশিয়ে শিবলিঙ্গে ঢাললে আর্থিক সমস্যা দূর হয় এবং জীবনে মানসিক শান্তি আসে।

চন্দন: জলে চন্দন মিশিয়ে শিবলিঙ্গে ঢাললে প্রতিপত্তি বাড়ে এবং সৌভাগ্য লাভ হয়।

শিবপুজোর সময় শিবলিঙ্গে আর কী কী নিবেদন করবেন?
জ্যোতিষ মতে, শিবপুজোর সময় শিবলিঙ্গে এই জিনিসগুলি নিবেদন করলেও মহাদেব তুষ্ট হন:

বেলপাতা: ভগবান শিবের অত্যন্ত প্রিয় হল বেলপাতা। বেলপাতা ছাড়া শিব পুজো অসম্পূর্ণ বলে মনে করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, বেলপাতা দিয়ে শিবের পুজো করলে মহাদেব তুষ্ট হন। শিবলিঙ্গে অন্তত ৩-৫টি বেলপাতা নিবেদন করা শুভ।

দই: দই দিয়ে শিবলিঙ্গের অভিষেক করলে দাম্পত্য জীবন সুখের হয় এবং সম্পর্ক মজবুত হয়।

ভস্ম: ভস্ম দিয়ে শিবলিঙ্গের অভিষেক করালে নেগেটিভ এনার্জি বা নেতিবাচক শক্তি দূর হয় এবং চারপাশে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়।

মধু: মধু দিয়ে শিবলিঙ্গের অভিষেক করালে আর্থিক সমস্যা দূর হয় এবং জীবনে সমৃদ্ধি আসে।

গঙ্গাজল: গঙ্গাজল দিয়ে শিবলিঙ্গে অভিষেক করালে সমস্ত পাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এবং মন শুদ্ধ হয়।

এই শ্রাবণে ভক্তিভরে মহাদেবের পুজো করে তাঁর আশীর্বাদ লাভ করুন।