“আমি কংগ্রেস MLA, তবে RSS-এর সঙ্গেও যুক্ত”, ভাইরাল ভিডিও দেখলে আকাশ থেকে পড়বেন রাহুল?

কংগ্রেস এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) মতাদর্শ সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী হলেও, সংঘের প্রভাব এতটাই ব্যাপক যে অনেক কংগ্রেস সদস্যও আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত। লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী বারবার আরএসএসকে তাদের মতাদর্শগত পার্থক্যের কারণে নিশানা করেছেন। তবে সম্প্রতি তাঁর দলেরই এক ‘অনুগত সৈনিকের’ একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে এক কংগ্রেস বিধায়ককে বলতে শোনা যাচ্ছে, “আমি কংগ্রেস বিধায়ক, কিন্তু আমি আরএসএসের সঙ্গেও যুক্ত।”
রিপোর্ট অনুযায়ী, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি মধ্যপ্রদেশের আগর-মালওয়া অঞ্চলের। সানসার বিধানসভা আসনের বিধায়ক ভৈরোঁ সিং পরিহার সংগঠনের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সেই এলাকায় গিয়েছিলেন। সেখানে মাইক হাতে পেয়ে তিনি আরএসএসের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কথা তুলে ধরেন। ভৈরোঁ সিং বলেন, কংগ্রেস বিধায়ক হলেও তিনি আরএসএসের সঙ্গেও যুক্ত। তিনি আরও বলেন যে, আরএসএসের অনেক কর্মী তাঁর ঘনিষ্ঠ এবং তিনিও সংঘের জন্য অনেক কিছু করেছেন। এই সময় ভৈরোঁ সিং সাম্প্রতিক একটি চুক্তির কথাও স্মরণ করিয়ে দেন, যদিও সেই চুক্তির ধরন সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।
সানসার বিধানসভা কেন্দ্রের এই কংগ্রেস বিধায়ক আরও বলেন, তিনি আরএসএসের হয়ে কাজ করেছেন। তিনি সম্প্রতি গারোথ আসন থেকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার ঘটনাটিও স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী এসেছিলেন এবং একটি চুক্তি করিয়ে নিয়েছিলেন।
मध्यप्रदेश के सुसनेर सीट से कांग्रेस के विधायक भैरो सिंह परिहार बोल रहे हैं कि,कांग्रेस का विधायक होते हुए भी मैं संघ से जुड़ा हुआ हूँ।इधर राहुल गांधी अपनी पार्टी में स्लीपर सेल, बारात, रेस और लँगड़े घोड़ों की तलाश कर रहे हैं। pic.twitter.com/LUUILxrWpL
— Aadesh Rawal (@AadeshRawal) June 15, 2025
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে কংগ্রেস বিধায়ক ভৈরোঁ সিংকে আরএসএস কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনুযোগ করতেও শোনা যায়। তিনি বলছেন, “আমি যদি এখন সংঘ দফতরে যাই, তাহলে মণ্ডল সভাপতি বলবেন, কে এসেছেন তা তিনি জানেন না।” তবে এই অনুযোগের পরেও ভৈরোঁ সিং নিজের সংঘ ঘনিষ্ঠতার কথা গোপন রাখেননি। পাশাপাশি, তিনি কংগ্রেসের সংগঠনের হয়েও নিষ্ঠা ভরে কাজ করেন বলে দাবি করেছেন।
এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন। এটি একদিকে যেমন কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে, তেমনই আরএসএসের সাংগঠনিক বিস্তারকেও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।