বাবা খুনের শোক কাটিয়ে NEET-এ তাক লাগল বৈভবী, নেটদুনিয়ায় পোস্ট করলেন খোদ রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী

গত ডিসেম্বরে বাবাকে হারানোর মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা ভুলতে পারেনি বৈভবী দেশমুখ। কিন্তু সেই শোক তাকে আটকে রাখতে পারেনি সাফল্যের পথ থেকে। সম্প্রতি প্রকাশিত NEET পরীক্ষার ফলাফলে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সে, যার সাফল্যের কাহিনি স্বয়ং মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার নিজের সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন।
ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের বিড় এলাকার। সেখানকার একটি গ্রামের মুখ্য ছিলেন সন্তোষ দেশমুখ, বৈভবীর বাবা। গত বছর ডিসেম্বর মাসে জ্বালানি কোম্পানির বিরুদ্ধে তোলাবাজির প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিনি একদল দুষ্কৃতীর হাতে অপহৃত হন। নির্মম নির্যাতন শেষে তাকে খুন করা হয়। এই ঘটনায় উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের এনসিপি (NCP)-এর কর্মী ধনঞ্জয় মুণ্ডের ঘনিষ্ঠ বাল্মিকী কারাডকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। দলীয় নেতৃত্বও তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এবার সেই সন্তোষ দেশমুখের কন্যা বৈভবী তৈরি করেছে নিজের সাফল্য-গাঁথা। উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার এদিন নিজের ‘এক্স’ হ্যান্ডেলে (পূর্বের টুইটার) বৈভবীর এই সাফল্যের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন, “বৈভবীর সাফল্য শুধুমাত্র নম্বরের ভিত্তিতে পরিমাপ করা উচিত নয়। হাজার কষ্ট সহ্য করে লড়াই চালিয়েছে সে। এই রকম কঠিন সময়েও নিজের মনোবল দৃঢ় রেখেছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষার পর কু. বৈভবী সন্তোষ দেশমুখ মেডিকেল-এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ NEET-এর মতো কঠিন পরীক্ষায় যে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে, তা কেবল একটি শিক্ষাগত কৃতিত্ব নয়, বরং সংকট মোকাবিলা করে লক্ষ্যে পৌঁছানোর এক শিক্ষা, যা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক হবে।”
बारावी परीक्षेनंतर कु. वैभवी संतोष देशमुख हिने मेडिकलसाठी महत्त्वपूर्ण असलेल्या NEET सारख्या कठीण परीक्षेत मिळवलेलं घवघवीत यश केवळ शैक्षणिक कामगिरी नाही, तर संकटांशी दोन हात करत ध्येयाला भिडण्याची शिकवण आहे. जी नव्या पिढीसाठी प्रेरणादायी ठरेल.
वैभवी, तुझं यश केवळ गुणांच्या रूपात… pic.twitter.com/HOGaec1gj5
— Ajit Pawar (@AjitPawarSpeaks) June 15, 2025
উল্লেখ্য, এই সাফল্য বৈভবীর প্রথম নয়। এর আগে দ্বাদশ শ্রেণীর ফলাফলেও সে তাক লাগানো ফল করেছিল। মোট ৮৫ শতাংশ নম্বর নিয়ে সে তার গ্রামের ‘লক্ষ্মী মেয়ে’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। শনিবারই ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। গোটা দেশে প্রথম স্থান অধিকার করেছে রাজস্থানের মহেশ কুমার, যে ৯৯.৯৯ শতাংশ নম্বর নিয়ে ‘সোনার ছেলে’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।