“আমি প্রতারণা করি না, দুই প্রেমিকের জন্য দুটি গোপনাঙ্গ!” তরুণীর দাবি ঘিরে তোলপাড় নেট পাড়া

ব্রিটেনের সারে থেকে আসা পঁচিশের তরুণী অ্যানি শার্লট যেন জীবন্ত এক রহস্য-উপন্যাস। তার শরীরী কাঠামো সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানায়। অ্যানির শরীরে রয়েছে দুটি জরায়ু, দুটি সার্ভিক্স, এবং হ্যাঁ, বিস্ময়করভাবে দুটি যোনি! আর এই ‘ডাবল’ সত্তা তার প্রেম জীবনেও এনেছে এক অভাবনীয় সমীকরণ। অ্যানির অকপট স্বীকারোক্তি, “আমি প্রতারণা করি না, কারণ প্রত্যেক প্রেমিকের জন্য আলাদা আলাদা গোপনাঙ্গ আছে।”

অ্যানি যে বিরল শারীরিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারিণী, তার নাম ‘ইউটেরাস ডিডেলফিস’ – যা প্রতি ২০০০ জন নারীর মধ্যে মাত্র একজনের ভাগ্যে জোটে। তবে অ্যানি আর পাঁচজনের মতো নন। তার কণ্ঠে আত্মবিশ্বাস, “আমি আমার শরীরকে আজ সম্পূর্ণভাবে ভালোবাসি। আগে যেটা লজ্জার ছিল, এখন সেটাই আমার পরিচয় — এবং আমার স্বাধীনতার উৎস।”

প্রেমের আঙিনায়ও অ্যানির জীবন বেশ গোছানো। মঙ্গলবার এক প্রেমিক, বৃহস্পতিবার অন্যজন – এই রুটিন বাঁধা। আর সপ্তাহান্ত? সেখানেও চলে পালা করে প্রেম! বিশেষজ্ঞদেরও চক্ষু চড়কগাছ। তাদের মতে, “এটা বিরল হলেও সম্ভব। কিন্তু প্রেমজীবন এত অর্গানাইজড — এটা সত্যিই ব্যতিক্রম।”

অ্যানি অবশ্য তার এই ‘ডাবল ধামাকা’ নিয়ে বেশ খোশমেজাজে। তার সোজাসাপ্টা উত্তর, “দুটো ইউটেরাস? আমিই তো ডবল ধামাকা!” যে শারীরিক বৈশিষ্ট্য একসময় তার কাছে লজ্জার কারণ ছিল, আজ সেটাই তার স্বতন্ত্র পরিচয়, তার স্বাধীনতার প্রতীক। অ্যানির এই ব্যতিক্রমী জীবন কাহিনি যেন সম্পর্কের গতানুগতিক ধারণাকেও চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। কে জানে, হয়তো এটাই আধুনিক প্রেমের এক নতুন সংজ্ঞা!