“তিনবার বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েও বলছি, এরকম…” জামাইষষ্ঠীতে কি বললেন কাঞ্চন মল্লিক

জামাইষষ্ঠী মানেই জামাই আদর আর নতুন নিয়মের ছোঁয়া। কিন্তু বিধায়ক-অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক এবছরের জামাইষষ্ঠী যেভাবে পালন করলেন, তা রীতিমতো নজর কেড়েছে সকলের। তিনবার বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েও কাঞ্চন মল্লিক স্বীকার করেছেন, “এরকম নিয়ম-নীতি মেনে জামাইষষ্ঠী আগে কখনও পালন করিনি।” ১লা জুনের এই বিশেষ দিনে তাঁদের পরিবারে ছিল এক নজরকাড়া আয়োজন।

শ্রীময়ী চট্টরাজের দিদি এবং তাঁর স্বামীও এদিন উপস্থিত ছিলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ীর জামাইষষ্ঠীর অনুষ্ঠানে। শ্রীময়ীর মা তাঁর দুই মেয়ে এবং দুই জামাইয়ের জন্য একেবারে এলাহি ভোজের আয়োজন করেছিলেন। রকমারি পদ থেকে শুরু করে আপ্যায়ন, কোনো কিছুরই কমতি ছিল না। এই বিশেষ দিনের রেশ ধরেই সম্প্রতি কাঞ্চন তাঁর শাশুড়িকে নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর সেটে। সেখানেই কাঞ্চনের শাশুড়ি জানান, প্রথমে তিনি শ্রীময়ীর সঙ্গে কাঞ্চনের সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি অনুভব করেন যে, কাঞ্চন এবং শ্রীময়ী একে অপরের সাথে বেশ সুখী। এখন তাঁদের জীবনে ছোট্ট মেয়ে কৃষভি আসার পর আনন্দ যেন আরও বেড়ে গেছে। দুজনেই মেতে রয়েছেন তাঁদের ছোট মেয়েকে নিয়ে।

কাঞ্চন মল্লিক এবং শ্রীময়ী চট্টরাজের বয়সের ফারাক যথেষ্ট। এই হিসাবে তাঁদের বিয়ে নিঃসন্দেহে একটি ছকভাঙা পদক্ষেপ। কৃষভির মুখেভাতের দিন TV9 বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাত্‍কারে কাঞ্চন এই প্রসঙ্গে বলেন, “ভালো থাকতে সকলেই চান। আমিও সেটাই চেয়েছি।” শ্রীময়ী আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন, “আমরা তো ট্রেন্ডসেটার। আমাদের বিয়ের পর দিলীপ ঘোষ মহাশয়ের বিয়ে হল, এরচেয়ে ভালো আর কী হতে পারে।” তাঁদের এই মন্তব্য সমাজে বয়সের ফারাক নিয়ে প্রচলিত ধারণাকে যেন চ্যালেঞ্জ করে।

জামাইষষ্ঠীর দিন কাঞ্চন এবং শ্রীময়ীর রোম্যান্সও ছিল দেখার মতো। পোলাওয়ের সঙ্গে মাংস নিজে হাতে শ্রীময়ীকে খাইয়ে দেন কাঞ্চন। তাঁদের প্রতিটি মুহূর্ত যে তাঁরা দারুণভাবে উপভোগ করছেন, তা স্পষ্ট বোঝা যায়। সোশ্যাল মিডিয়াতে এই দম্পতিকে অনেক সময় ট্রোলিংয়ের শিকার হতে হলেও, তাঁদের ভালোবাসায় ভরিয়ে তোলার মতো অনুরাগীর সংখ্যাও কিন্তু কম নয়। এই জামাইষষ্ঠী যেন আরও একবার প্রমাণ করল, ভালোবাসার কোনো বয়স হয় না, আর সমাজের সমস্ত নিয়ম-নীতি মেনে চলতে হয় না যখন সম্পর্কটা ভালোবাসার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।