হুড়মুড়িয়ে কমেছিল মেদ! কীভাবে ওজন কমালেন শ্বেতা তিওয়ারি? রইল মন্ত্র

শ্বেতা তিওয়ারি, নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভাসে এক দীপ্তিময়ী মুখ। শুধু অভিনয় নয়, তাঁর সৌন্দর্য আর ব্যক্তিত্বও কেড়ে নেয় সকলের মন। তবে জানেন কি, এই ফিটনেস ধরে রাখতে কোনও জিম ক্র্যাশ কোর্স বা কঠিন ডায়েটের ধার ধারেননি শ্বেতা! বরং, নিজের জীবনযাত্রায় ছোট্ট কিছু পরিবর্তন এনেই তিনি জয় করেছেন মেদকে।

দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর শ্বেতার ওজন গিয়ে ঠেকেছিল ৭৩ কেজিতে। একদিকে কেরিয়ারের চাপ, অন্যদিকে দুই সন্তানের দায়িত্ব আর সংসার সামলানো – এই সবের মাঝেও তিনি অনুভব করেছিলেন নিজের শরীর ও মনের পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা।

শ্বেতা কোনো ঝাঁ চকচকে বা বিদেশি ডায়েটের পথে হাঁটেননি। তাঁর পুষ্টিবিদ কিনিটা কাদকিয়া প্যাটেল তাঁকে একটি সহজ, অথচ সুষম খাবারের তালিকা বানিয়ে দিয়েছিলেন। সেই তালিকায় ছিল মূলত ডাল, ব্রাউন রাইস, মরশুমি ফল, ওটস আর শুকনো ফল এবং অল্প পরিমাণে লিন মাংস। আর বাদ দিয়েছিলেন চিনি, প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং রাতের বেলা ভারী খাবার।

শুধু খাবারই নয়, শ্বেতা তাঁর দৈনন্দিন রুটিনে ওয়ার্কআউটকেও একটা গুরুত্বপূর্ণ স্থান দিয়েছিলেন। তাঁর ওয়ার্কআউটের তালিকায় ছিল স্ট্রেংথ ট্রেনিং, কার্ডিও (যেমন জগিং) এবং যোগ ব্যায়াম।

তবে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল মানসিক জোর। শ্বেতা শুধু তাঁর শরীরকেই প্রশিক্ষণ দেননি, বরং মনকেও করেছেন দৃঢ়। মনোযোগ ধরে রাখতে তিনি নিয়মিত ধ্যান ও মেডিটেশনও করেছেন।

আর এই কঠিন জার্নিতে শ্বেতা সবসময় পাশে পেয়েছেন তাঁর পরিবারকে। অভিনেত্রী নিজেই জানিয়েছেন, তাঁর ওজন কমানোর এই পথচলায় সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে তাঁর মেয়ে পলক তিওয়ারি এবং ছেলে রেয়াংশ।

তাহলে বুঝতেই পারছেন, শ্বেতা তিওয়ারির এই ফিট থাকার রহস্য লুকিয়ে আছে কোনও কঠিন ডায়েট বা ওয়ার্কআউটের মধ্যে নয়, বরং একটা স্বাস্থ্যকর জীবনশৈলী adoption-এর মধ্যে। আপনিও কি প্রস্তুত সেই পথে হাঁটতে?