মাছের আড়ালে ৪২০ কেজি গাঁজা পাচারের ছক বানচাল, নদীয়ায় পুলিশের জালে মাদক বোঝাই গাড়ি

মাছ পরিবহনের আড়ালে বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ মাদক পাচারের এক অভিনব ছক বানচাল করল নদিয়া জেলার কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের ভাজন ঘাট এলাকায়, যা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে (তারিখ উল্লেখ নেই, যেহেতু আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এই ঘটনাটি ঘটেছে) কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ হাঁসখালি থানা পেরিয়ে ভাজনঘাট ব্রিজের উপর একটি সন্দেহভাজন মাছের গাড়িকে আটকায়। পুলিশ গাড়িটিকে আটকাতেই চালক লাফ দিয়ে পালিয়ে যায়। চালকের এমন আচরণ পুলিশের সন্দেহ আরও বাড়িয়ে তোলে।

এরপর পুলিশ গাড়িটির মাছের বাক্সগুলো সরাতেই চমকে ওঠে। দেখা যায়, মাছের বাক্সের ভিতরে প্লাস্টিকের প্যাকেটে থরে থরে গাঁজা সাজানো রয়েছে। বাংলাদেশে এই নিষিদ্ধ মাদক পাচারের পরিকল্পনা ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে, যা পুলিশের তৎপরতায় ভেস্তে গেল।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় এই বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পুলিশ গাড়িটিকে বাজেয়াপ্ত করেছে এবং পলাতক চালকের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

উল্লেখ্য, যে স্থান থেকে এই গাঁজা উদ্ধার হয়েছে, তার থেকে সীমান্ত মাত্র এক কিলোমিটার দূরে। এছাড়া, মাজদিয়ার যেখানে সম্প্রতি একটি বাঙ্কার উদ্ধার হয়েছিল, সেখান থেকে এই স্থান প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এত বিপুল পরিমাণ গাঁজা কি সেই বাঙ্কারেই মজুত করার উদ্দেশ্যে আনা হচ্ছিল? এই বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধারকে কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশের একটি বড় সাফল্য বলেই মনে করা হচ্ছে।