বিয়ের চার মাসেই বধূর চরম পরিণতি! ননদ-শ্বশুরের জ্বালাতনে অতিষ্ঠ বৌমা, ভিডিও বার্তায় জানালেন অসহ্য যন্ত্রণার কথা

দাম্পত্য জীবনের শুরুতেই চরম বিষাদ। মাত্র চার মাস আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন বছর বাইশের আমরিন। কিন্তু সেই নতুন জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছিলেন খোদ শ্বশুর এবং ননদ। স্বামী কর্মসূত্রে বেঙ্গালুরুতে থাকায়, তরুণীর হয়ে প্রতিরোধ করার মতো কেউই ছিলেন না। অবশেষে, অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আত্মহননের পথ বেছে নিলেন আমরিন।
এক হৃদয়বিদারক ঘটনায়, আমরিন আত্মহত্যার পূর্বে একটি ভিডিও বার্তা রেকর্ড করেন। সেই ভিডিওতে তিনি জানান, তার স্বামী বেঙ্গালুরুতে কর্মরত। বাড়িতে শ্বশুর এবং ননদ প্রতিনিয়ত তার উপর মানসিক নির্যাতন চালাতেন। কান্নাভেজা কণ্ঠে আমরিন বলেন, “অনেকদিন ধরে আমি মুখ বন্ধ করে সব সহ্য করেছি। আর পারছি না। এই পদক্ষেপটা নিতেই হল।” এই কথাগুলি বলার পরই, সিলিং থেকে ঝোলানো ওড়নায় তিনি গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।
यूपी के मुरादाबाद में 22 साल की युवती ने फांसी लगाकर जान दे दी. मरने से पहले युवती ने सुसाइड का वीडियो बनाया. युवती की चार महीने पहले शादी हुई थी.
अपनी आत्महत्या के लिए 22 साल की आमरीन ने अपने ननद–ससुर को ज़िम्मेदार बताया. pic.twitter.com/jf1l8NAXkr
— Priya singh (@priyarajputlive) May 25, 2025
এই মর্মান্তিক ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রশ্ন উঠছে, কেন একটি নতুন জীবন এমন পরিণতি পেল? স্বামী দূরে থাকার সুযোগ নিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজন কীভাবে এমন অমানবিক আচরণ করতে পারলেন?
আমরিনের এই চরম পদক্ষেপের পূর্বে ধারণ করা ভিডিও বার্তাটি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে তার অসহায়তা এবং যন্ত্রণার স্পষ্ট চিত্র ফুটে উঠেছে।
এই ঘটনা স্থানীয় থানায় জানানো হয়েছে কিনা, অথবা পুলিশ এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে কিনা, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তবে, একটি নববধূর এমন মর্মান্তিক পরিণতি সমাজের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে গেল, বধূ নির্যাতন আজও কতটা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
আমরিনের এই আত্মত্যাগ শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের বিরুদ্ধে এক নীরব প্রতিবাদ হিসেবেই দেখছেন অনেকে। এখন দেখার, এই ঘটনায় প্রশাসন কতটা কঠোর পদক্ষেপ নেয় এবং আমরিনের পরিবার ন্যায়বিচার পায় কিনা।