BigNews: ফের উত্তরবঙ্গ সফরে মুখ্যমন্ত্রী, জেনেনিন ৩ দিনে কী কী কর্মসূচি রয়েছে মমতার?

রাজ্যের শিল্পোন্নয়ন সংক্রান্ত একগুচ্ছ ঘোষণার আবহেই তিনদিনের উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী সোমবার, ১৯ মে থেকে শুরু হতে চলা মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর বর্তমান পরিস্থিতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক ও ওয়াকিবহাল মহল। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে শিল্পোন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছিলেন এবং রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ৪৩টি নতুন মাইক্রো ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের সিদ্ধান্তও ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের অনুমোদন লাভ করেছে। এই প্রেক্ষাপটে মুখ্যমন্ত্রীর এই উত্তরবঙ্গ সফরকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

একনজরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরবঙ্গ-সফরসূচি:

  • প্রথম দিন (সোমবার, ১৯ মে): মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯ মে সোমবার বিশেষ বিমানে কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গে পৌঁছবেন। উত্তরবঙ্গে পৌঁছনোর পরই তিনি উত্তরবঙ্গের স্থানীয় শিল্পপতিদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘বিজনেস মিট’ বা শিল্প বৈঠক করার কর্মসূচি রয়েছে তার। মনে করা হচ্ছে, এই বৈঠকে উত্তরবঙ্গের শিল্প সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা করা হবে।
  • দ্বিতীয় দিন (মঙ্গলবার, ২০ মে): সফরের দ্বিতীয় দিনে, ২০ মে মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গে একটি সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। এই জনমুখী অনুষ্ঠান থেকে তিনি রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা যোগ্য উপভোক্তাদের হাতে তুলে দেবেন।
  • তৃতীয় দিন (বুধবার, ২১ মে): সফরের তৃতীয় দিনে ২১ তারিখ মুখ্যমন্ত্রী একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠকে অংশ নেবেন। সূত্র মারফত জানা গেছে, এই বৈঠকে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক আধিকারিক এবং জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকতে পারেন। এই বৈঠককে কেন্দ্র করে উত্তরবঙ্গের প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। জেলার উন্নয়নমূলক কাজ ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
  • সফরের শেষ দিন (২২ মে): উত্তরবঙ্গের কর্মসূচি শেষ করে ২২ মে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা ফিরতে পারেন।

সবমিলিয়ে, শিল্প এবং প্রশাসন – দুই ক্ষেত্রেই মুখ্যমন্ত্রীর এই উত্তরবঙ্গ সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক গতি আনা এই সফরের মূল লক্ষ্য হতে পারে।