১৫ এপ্রিল থেকে বদলে যাচ্ছে তৎকালে টিকিট কাটার সময়? বড় আপডেট দিল রেল

হঠাৎ করে দূরে কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন হলে ট্রেনের তৎকাল টিকিটই যাত্রীদের প্রধান ভরসা। সাধারণত, ভ্রমণের একদিন আগে এই টিকিট বুক করা যায় এবং যাত্রীরা নিশ্চিতভাবে আসনে বসে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। তবে সম্প্রতি এই তৎকাল টিকিট নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিভ্রান্তিকর খবর ছড়িয়ে পড়ে। শোনা যাচ্ছিল, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে নাকি তৎকাল টিকিট বুকিংয়ের নিয়ম এবং সময়সূচিতে পরিবর্তন আসছে।
এই বিষয়ে মুখ খুলেছে ভারতীয় রেলওয়ের টিকিট বুকিং সংস্থা আইআরসিটিসি (IRCTC)। সংস্থার পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে এই খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ভুয়ো। তৎকাল ও প্রিমিয়াম তৎকাল টিকিট বুকিংয়ের সময়ে কোনও রকম পরিবর্তন করা হয়নি। একইসঙ্গে, এজেন্টদের জন্য টিকিট বুকিংয়ের যে নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে, তাতেও কোনও বদল আনা হয়নি বলে জানিয়েছে আইআরসিটিসি।
আইআরসিটিসি আরও জানিয়েছে যে তাদের নজরে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত ওই ভুয়ো পোস্টটি এসেছে। এরপরেই যাত্রীদের মধ্যে বিভ্রান্তি দূর করতে এই স্পষ্টীকরণ দেওয়া হয়েছে।
Some posts are circulating on Social Media channels mentioning about different timings for Tatkal and Premium Tatkal tickets.
No such change in timings is currently proposed in the Tatkal or Premium Tatkal booking timings for AC or Non-AC classes.
The permitted booking… pic.twitter.com/bTsgpMVFEZ
— IRCTC (@IRCTCofficial) April 11, 2025
উল্লেখ্য, আইআরসিটিসির বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, যাত্রার একদিন আগে অনলাইনে তৎকাল ই-টিকিট বুক করা যায়। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) শ্রেণির টিকিট, অর্থাৎ এসি ২এ এবং এসি ৩এ-এর জন্য সকাল ১০টা থেকে বুকিং শুরু হয়। অন্যদিকে, নন-এসি কোচের তৎকাল টিকিট বুকিং শুরু হয় সকাল ১১টা থেকে।
তৎকাল কোটার অধীনে টিকিট বুক করা হলেও, এই টিকিটের মাধ্যমে কনফার্ম আসন পাওয়া যাবেই এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। এছাড়াও, ফার্স্ট ক্লাস এসির ক্ষেত্রে তৎকাল বুকিংয়ের কোনও সুবিধা উপলব্ধ নেই। রেলের নিয়ম অনুযায়ী, একটি পিএনআর নম্বরের অধীনে সর্বাধিক চারজন যাত্রীর জন্য তৎকাল টিকিট বুক করা যেতে পারে। সাধারণ টিকিটের মূল্যের সঙ্গে তৎকালের অতিরিক্ত চার্জ যুক্ত করা হয়।
সুতরাং, যাত্রীদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। তৎকাল টিকিট বুকিংয়ের পুরনো নিয়ম এবং সময়সূচীই বহাল থাকছে। আইআরসিটিসি-র পক্ষ থেকে এই বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দেওয়ায় যাত্রীরা ফের স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন।