রামবিরোধী মানে রাষ্ট্রবিরোধী, বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপ ঘোষের

বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ‘ফুল ফর্মে’ রয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সাবেক সাংসদ দিলীপ ঘোষ। রামনবমীর দিন ফের একবার সরব হলেন তিনি এবং রামবিরোধীদের রাষ্ট্রবিরোধী আখ্যা দিলেন।
রবিবার সকাল থেকেই রাজ্যজুড়ে রামনবমী উপলক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে পুজো ও মিছিলের আয়োজন করা হয়। এদিন সকালে মেদিনীপুরের গোপগড়ের গোপনন্দিনী মন্দিরে পুজো দেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। পুজো দেওয়ার পরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। দিলীপ ঘোষের দাবি, রামের বিরোধিতা করা মানে রাষ্ট্রের বিরোধিতা করা। রামবিরোধী ও রাষ্ট্রবিরোধী একই সূত্রে গাঁথা।
দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘যারা রামবিরোধী, তাঁরা রাষ্ট্রবিরোধী। রামের বিরোধিতা করছে মানে রাষ্ট্রের বিরোধিতা করছে। আমরা দু’জনকে সমান চোখে দেখি। রামবিরোধীরা যেমন ধ্বংস হয়েছে, তেমনই রাষ্ট্রবিরোধীরাও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে’।
আরও পড়ুনঃ সদ্য হয়েছে DA বৃদ্ধির ঘোষণা! এবার সরকারি কর্মীদের জন্য ‘খারাপ খবর’!
বিজেপি নেতা আরও দাবি করেন, একসময় ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে বন্দুক, মাইন, বোমার আওয়াজ শোনা যেত। তবে বর্তমানে সেই পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে। বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির কথায়, ‘রামভক্তরা জেগেছে, রাষ্ট্রবিরোধীরা ঠাণ্ডা হয়ে গিয়েছে। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী, গুজরাট থেকে গুয়াহাটি, বোম বন্দুকের আওয়াজ কোথাও নেই। শুধু পশ্চিমবঙ্গেই যা কিছু রয়েছে’।
দিলীপ ঘোষের আরও সংযোজন, ‘ভারতে রাম রাজত্ব প্রতিষ্ঠা হচ্ছে। ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত বিশ্বগুরু হবে, উন্নত দেশ হবে। আর রামের আদর্শকে নিয়েই দেশ এগিয়ে যাবে। সেই কারণেই প্রতিনিয়ত রামনবমীকে কেন্দ্র করে উৎসবের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, মানুষের উৎসাহ বাড়ছে’।
উল্লেখ্য, আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই নির্বাচনী ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছে তৃণমূল, বিজেপি সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি। দিলীপ ঘোষকেও এই মুহূর্তে ‘ফুল ফর্মে’ দেখা যাচ্ছে। সাম্প্রতিককালে রাজ্য রাজনীতির বিভিন্ন ইস্যুতে তিনি সরব হয়েছেন। রামনবমীর পবিত্র দিনে তাঁর এই মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়াল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।