পঞ্চ ঘূর্ণাবর্ত! সোমবার থেকেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গে, ভিজবে আর কোন জেলা?

তাপপ্রবাহ নেই ঠিকই, কিন্তু দুপুর গড়ালেই ঘাম আর অস্বস্তিতে হাঁসফাঁস করছেন বাঙালিরা। মাথায় ছাতা, শরবতের গ্লাস, রাস্তার ঠান্ডা পানীয়—সবই যেন হার মেনেছে প্রখর রোদের কাছে। এপ্রিলের শুরু থেকেই ফের উর্ধ্বমুখী পারদ, আর সেই সঙ্গে গরমের কষ্ট বাড়ছে চোাখে পড়ার মতো।
তবে আশার আলো দেখাচ্ছে হাওয়া অফিস। তারা জানিয়েছে, সোমবার থেকে রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।
পাঁচ ঘূর্ণাবর্তে দেশ, বৃষ্টির ইঙ্গিত আবহাওয়া দফতরের
আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, এই মুহূর্তে দেশজুড়ে সক্রিয় পাঁচটি ঘূর্ণাবর্ত।
রাজস্থান এবং অসম সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে দুটি
মধ্যপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুতে আরও দুটি
আন্দামান-নিকোবরের উপকূলবর্তী অঞ্চল ঘিরেও একটি ঘূর্ণাবর্ত
এর পাশাপাশি ৮ এপ্রিল থেকে নতুন করে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে উত্তর-পশ্চিম ভারতের পার্বত্য অঞ্চলে। এর প্রভাব পড়বে বাংলাতেও।
দক্ষিণবঙ্গে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
আবহাওয়াবিদদের মতে, সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বিক্ষিপ্ত ঝড়-বৃষ্টি হবে।
সোমবার ও মঙ্গলবার ৩০-৫০ কিমি/ঘণ্টা বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে
বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা
কলকাতাতেও ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে, এমনই পূর্বাভাস
শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এবং সর্বোচ্চ ছিল ৩৩.২ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল ৫৭ থেকে ৯৪ শতাংশ, যা এই গরমে অস্বস্তি বাড়ানোর মূল কারণ।
তাপমাত্রা এখনও নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি মানুষকে কাবু করে তুলছে। তবে সপ্তাহের শুরু থেকেই যদি বজ্রবিদ্যুৎ ও বৃষ্টির দেখা মেলে, তাহলে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরতে পারে গরমে জেরবার বাংলার জনজীবনে।