মোদীর রাজ্য গুজরাটের বানসকণ্ঠে বাজি কারখানায় ভয়াভহ বিস্ফোরণ, মৃত্যু ৭জনের

ঢোলাহাটে বাড়িতে মজুত বাজির বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯। নিহতরা সবাই এক পরিবারে সদস্য। এই ঘটনায় শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি। একই সময়ে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য গুজরাটের বানসকণ্ঠে একটি ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছে, যেখানে সাতজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা দিকে দেসা শহরের কাছে একটি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণটি ঘটে।
ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার কাজ শুরু করেন। বনাসকণ্ঠের কালেক্টর মিহির প্যাটেল জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের কারণে ভবনের একাংশ ধসে পড়ে এবং বেশ কয়েকজন শ্রমিক আটকা পড়ে যান। এই ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৪ জন আহত হয়েছেন। মৃতদের মধ্যে অনেকেই কারখানার শ্রমিক ছিলেন। স্ল্যাব ধসে পড়ায় উদ্ধার অভিযান চলছে এবং কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
এদিকে, ঢোলাহাটে ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণে স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। শুভেন্দু অধিকারী এবং সুকান্ত মজুমদার তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে, রাজ্যের মন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা ঢোলাহাটে গিয়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে পড়েন। তিনি বলেন, “পুলিশ চন্দ্রকান্ত বণিককে আটক করেছে। ফরেন্সিক দল আসবে এবং তারা রিপোর্ট দিলে বিস্ফোরণের আসল কারণ জানা যাবে।”
তিনি আরও বলেন, “এখানে বাজি কারখানার লাইসেন্স টাকা নিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি এখানকার বিধায়ক সমীরবাবুকে জানি, তিনি সজ্জন ব্যক্তি। তবে পুলিশের ব্যাপারটা আলাদা, তাদের তদন্তের পর সব কিছু স্পষ্ট হবে।”
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে একাংশের অভিযোগ, ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বাজি কারখানার লাইসেন্স দেয়ার জন্য টাকা নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার পর তৃণমূলের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও গাফিলতির অভিযোগ তুলছেন অনেকে।
বিজেপি নেতারা এ ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবি করেছেন, বিশেষ করে গুজরাটের বিস্ফোরণের পর এ ধরনের ঘটনার তদন্ত আরও তীব্র হওয়া উচিত বলে তাদের দাবি।