“সাঁইথিয়া থানার কাছে উদ্ধার সমীর লেঠের দেহ, ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে সিউড়ি হাসপাতালে”

সাঁইথিয়া থানার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি ঝুলন্ত মৃতদেহ। মৃত ব্যক্তির নাম সমীর লেঠ, যাঁর বাড়ি রামপুরহাটের একটি গ্রামে। তাঁর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান সমীরবাবু, এরপর তিনি আর ফিরে আসেননি।

পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী, গত কিছুদিন ধরে সমীরের স্ত্রীর সঙ্গে ঝামেলা চলছিল, যার পর তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। পরবর্তী সময়ে, সাঁইথিয়া থানা এলাকা থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, সমীর আত্মহত্যা করেছেন এবং গলায় দড়ি দিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। তবে, কীভাবে সাঁইথিয়া থানায় পৌঁছালেন তিনি, তা এখনও পরিষ্কার নয়।

মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ার পর তা সিউড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, মৃতদেহ আসার পরও প্রায় পঁচাশ মিনিট কোনো পরিবারের সদস্য বা পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়নি। মৃতদেহটি এমারজেন্সির সামনে রেখে রাখা হয়, পরে পুলিশ এসে মৃতদেহটি হাসপাতালের ভিতরে নিয়ে যায়। সিউড়ি হাসপাতালে চিকিৎসক এসপি সরকার জানান, “একটা বডি এসেছে শুনেছি, তবে এর বেশি আমি জানি না।”

মৃতের কাকা জানিয়েছেন, “পুলিশ এসে বলল, এটা সমীরের বাড়ি? আমরা বললাম হ্যাঁ। তখন বলল সমীর মারা গেছেন। শুনলাম গলায় দড়ি দিয়ে মারা গিয়েছে।”

পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে, তবে নিহতের সাঁইথিয়া থানার কাছাকাছি পৌঁছানোর কারণ এবং তার মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধান করা এখনও বাকি। স্থানীয়রা এই রহস্যমৃত্যুতে হতবাক, এবং পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে এই ঘটনার সকল রহস্য উদঘাটন করতে চায়।