মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রী, নেতার বেতন বাড়বে ১০০%, সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিল রাজ্য সরকার

কর্ণাটক সরকার মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রী এবং বিধায়কদের বেতন দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ ১০০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এএনআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের কর্ণাটকের মন্ত্রীদের বেতন ও ভাতা (সংশোধনী) এবং কর্ণাটক আইনসভা সদস্যদের বেতন, পেনশন ও ভাতা (সংশোধনী) বিলে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
রাজ্যে যখন আর্থিক টানাটানি চলছে, তখন এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় থাকা রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ বাড়ানো হয়নি। যদিও কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি পরমেশ্বরা এবং মন্ত্রী এমবি পাটিল এই সিদ্ধান্তে কোনো ভুল দেখছেন না। তাঁদের মতে, সাধারণ মানুষের মতো তাঁদেরও খরচ বাড়ছে।
পরমেশ্বরা বলেন, “অন্যান্য মানুষের মতো ওঁদেরও (মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রী এবং বিধায়ক) খরচ বাড়বে। সাধারণ মানুষও ভুগছেন। বিধায়করাও ভুগছেন। তাই বিধায়ক এবং অন্যান্যরা (বেতন বৃদ্ধির) সুপারিশ করেছিল। আর তাই মুখ্যমন্ত্রী সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রত্যেককেই বেঁচে থাকতে হবে।”
পাটিল বলেন, “বিধায়কদের বেতন এবং ভাতা বৃদ্ধির মধ্যে কোনও ভুল নেই। আমরা যদি নিজেরাই সেই কাজটা করতাম, তাহলে সেটা ঠিক হত না। সেজন্য একটি কমিটি আছে। যা সেই সুপারিশ করেছে। আপনি প্রধানমন্ত্রী, (কেন্দ্রীয়) মন্ত্রী এবং সাংসদদের উদাহরণই দেখুন। বিশ্বের সর্বোচ্চ বেতনপ্রাপ্তদের মধ্যে তাঁরা আছেন। সেটার কারণেই তাঁরা স্বাধীন আছে এবং দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়েননি। আমরা সিঙ্গাপুরের সঙ্গে নিজেদের বেতনের তুলনা করতে পারি না। তাও ঠিকঠাক বেতন দেওয়া উচিত।”
কংগ্রেসের রঙ্গনাথ বলেছেন, “এই বিষয়টা নিয়ে আমি ঠিক নিশ্চিত নই। আমি একজন চিকিৎসক এবং একজন বিধায়ক। ব্যক্তিগতভাবে আমার সেই বেতন বৃদ্ধির প্রত্যাশা ছিল না। তবে এমন অনেক বিধায়ক আছেন, যাঁদের একটা বেসিক স্যালারি চাই। কিন্তু ওরা যদি বেতন বাড়ায়, সেটা ১০ বা ২০ শতাংশ হওয়া উচিত ছিল।”