রাকেশ রোশন একসময় দেহরক্ষীর হাতেই খুন হওয়ার ভয় পেতেন! নিজেই জানালেন জীবনের অজানা ভয়ঙ্কর গল্প

বলিউডের প্রখ্যাত নির্মাতা এবং অভিনেতা রাকেশ রোশন সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তার জীবনের এক অজানা ভয়ঙ্কর অধ্যায় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। তিনি জানান, ২০০০ সালে ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’-এর বিপুল সাফল্যের পর, ‘বুদেশ গ্যাং’-এর তরফে হুমকি পেয়েছিলেন তিনি। এমনকি, ওই কুখ্যাত গ্যাংয়ের সদস্যরা রাকেশের ওপর গুলিও ছুড়েছিল। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি তাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল যে, নিজের নিরাপত্তার জন্য তিনি দুজন অস্ত্রধারী দেহরক্ষী মোতায়েন করতে বাধ্য হন।

তবে, তাঁর জন্য সবচেয়ে বড় আতঙ্ক ছিল এই যে, যদি ওই গ্যাংস্টাররা তাঁর দেহরক্ষীদের সঙ্গে সাঁট করে থাকে? এবং যদি গাড়ির মধ্যেই দেহরক্ষীরা-ই তাঁকে গুলি করে মেরে ফেলেন? এই চিন্তা ও আতঙ্কে তিনি প্রায় অস্থির হয়ে পড়েছিলেন। রাকেশ জানালেন, “কয়েকদিনের মধ্যেই এই ভয় এবং চিন্তায় আমার ঘুম উড়ে গিয়েছিল। তারপর আমি ঠিক করলাম, দেহরক্ষীদের সরিয়ে দেব। ভাবলাম, যা হবে দেখা যাবে।”

রাকেশ রোশনের এই অভিজ্ঞতা বলিউডের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে নতুন আলো ফেলে। একজন সুপরিচিত অভিনেতা তথা নির্মাতা যে এমন আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন, তা শোনার পর অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, বলিউডের তারকাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা যথাযথ?


পাপারাজ্জিদের ধমক অয়নের

সম্প্রতি প্রয়াত হয়েছেন বলিউড পরিচালক অয়ন মুখোপাধ্যায়ের বাবা দেব মুখোপাধ্যায়। প্রয়াত অভিনেতার স্মৃতির উদ্দেশ্যে একটি প্রার্থনাসভার আয়োজন করেছিলেন মুখোপাধ্যয় পরিবার। এই সভায় বহু বলিউড তারকা উপস্থিত ছিলেন, তবে পাপারাজ্জিদের অতিরিক্ত উপস্থিতি অয়নকে বিরক্ত করে। শেষমেশ, অয়ন মুখোপাধ্যায় নিজে পাপারাজ্জিদের কাছে এসে জানান, এটি দুর্গাপুজোর কোনও ইভেন্ট নয়, বরং একটি শোকসভার অনুষ্ঠান, যেখানে তাঁদের শালীনতা বজায় রাখতে বলা হয়।


ফের স্বজনপোষণকে তোল্লাই করণের

‘নাদানিয়াঁ’ ছবির দুই অভিনেতা, ইব্রাহিম আলি খান এবং খুশি কাপুর, সম্প্রতি দর্শকদের কাছ থেকে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছেন। ছবির পারফরম্যান্সের কারণে তারা ট্রোলড হচ্ছেন। তবে, এই দু’জনের পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁদের মেন্টর এবং ‘নাদানিয়াঁ’র প্রযোজক করণ জোহর। ট্রোলারদের একহাত নিয়ে তিনি ইব্রাহিম ও খুশির সমর্থনে একটি জনপ্রিয় হিন্দি গানের লাইন লিখে জানিয়েছেন, “কুছ তো লগ কহেঙ্গে, লোগো কে নাম হ্যায় কহেনা…”

এছাড়া, পরিচালক বিক্রম ভট্টও ইব্রাহিমের সমর্থনে বক্তব্য রেখেছেন। তিনি বলেন, “এখনই ইব্রাহিমকে বিচার করা ঠিক হবে না। তাঁর পরবর্তী কাজ আরও ভালো হবে, এবং তিনি বড় তারকা হয়ে উঠবেন, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।”

এই পরিস্থিতি বলিউডের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে অভিনেতাদের প্রতি মনোভাব এবং তাদের ক্যারিয়ার নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলে ধরছে।