ব্রাত্য বসুর কুশপুতুল নিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি! বাম কর্মী ও পুলিশের সংঘর্ষে জলপাইগুড়িতে উত্তেজনা চরমে!

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনার প্রভাবে রাজ্যজুড়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একদিকে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে হেনস্তার অভিযোগে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিবাদে মাঠে নেমেছে, অন্যদিকে পড়ুয়াকে গাড়ি চাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ব্রাত্যর গ্রেফতারির দাবিতে সরব হয়েছে সিপিএম। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে রবিবার জলপাইগুড়িতে ঘটে গেল চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা।

জলপাইগুড়ির কদমতলা মোড়ে সিপিএম কর্মীরা ব্রাত্য বসুর কুশপুতুল দাহ করার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে বাম কর্মীদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পুলিশ কুশপুতুল কেড়ে নিলেও বাম কর্মীরা তা ফের ছিনিয়ে নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এই ঘটনায় পরিস্থিতি একবারে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ এবং বাম কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি চরমে পৌঁছায়।

ঘটনার সময় সেখানে তৃণমূল শিক্ষক সংগঠনের ধিক্কার সভা চলছিল। ঠিক সেই সময় সিপিএমের জেলা দফতর থেকে বামপন্থী ছাত্র ও যুব সংগঠনের কর্মীরা মিছিল বের করে। পুলিশ মিছিলকে অন্য রাস্তায় ঘুরিয়ে দেয়, কিন্তু বাম কর্মীরা ফের কদমতলায় পৌঁছে কুশপুতুল দাহ করার চেষ্টা করে। পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি শুরু হয় এবং শেষ পর্যন্ত কুশপুতুল নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে কাড়াকাড়ি চলে।

সিপিএম জেলা কমিটির সদস্য কৌশিক ভট্টাচার্য্য বলেন, “শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ছাত্রদের উপর গাড়ি চালানোর অভিযোগে আমরা প্রতিবাদ করছি। পুলিশ আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে, যা সম্পূর্ণভাবে অন্যায়।”

অন্যদিকে, তৃণমূল শিক্ষক নেতা অঞ্জন দাস বলেন, “ব্রাত্য বসুর উপর প্রাণঘাতী হামলার প্রতিবাদে আমরা মিছিল করছি। এই ঘটনায় আমরা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছি।”

এই ঘটনায় জলপাইগুড়িতে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই ঘটনা নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে এই ঘটনার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে সকলের চোখ এখন প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলির দিকে।