“কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়…?”-গৃহবধূ-মেয়েকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ TMC নেতার বিরুদ্ধে

হাওড়ার থানামাকুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। পঞ্চায়েতের শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সঞ্চালক ইন্দাস হোসেন লস্কর ওরফে বাবলু বিরুদ্ধে একটি গৃহবধূকে সালিশি সভায় সুরাহার বিনিময়ে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওই গৃহবধূ ও তাঁর মেয়েকে মারধর এবং শ্লীলতাহানির শিকার হতে হয়। যদিও স্থানীয়দের একাংশ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এলাকার সূত্রে জানা গেছে, পোদরা লস্কর পাড়ার গৃহবধূর প্রতিবেশীদের সঙ্গে নোংরা ফেলা নিয়ে বিবাদ চলছিল। সেই সমস্যার সমাধান করতে তিনি পঞ্চায়েতে বাবলুর কাছে সালিশি সভা ডাকেন। অভিযোগ, সেখানে সালিশি সভার শর্ত হিসেবে বাবলু গৃহবধূকে কুপ্রস্তাব দেন, বলেছিলেন, তার পক্ষে রায় দেওয়ার জন্য যদি তিনি রাজি হন তবে সমস্যা সমাধান হবে।

তবে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ার পর, অভিযোগ করা হয় যে, ওই নেতা এবং তাঁর অনুগামীরা হঠাৎ গৃহবধূর বাড়িতে চড়াও হন, মারধর করেন এবং অশালীন আচরণ করেন। শুধু গৃহবধূর সঙ্গে নয়, তার মেয়েকেও নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে আতঙ্কিত মা-মেয়ে সাঁকরাইল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গৃহবধূর মেয়েকে বর্তমানে লিলুয়ার একটি হোমে রাখা হয়েছে, এবং মা বাড়িছাড়া। পুলিশ অভিযুক্তদের খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে, কিন্তু অভিযুক্ত পাঁচজন এখনও পলাতক।

এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা এই ঘটনায় তীব্র সমালোচনা করেছেন। তবে, স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ মহিলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পুলিশি তদন্তের পর সঠিক সত্য কী উঠে আসে, তা নিয়ে সকলের নজর থাকবে।