পার্থ-অর্পিতার আরো ৭০০ কোটির খোঁজ পাওয়া গেলো ,চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো ইডি?

আজ কেন্দ্রীয় সংস্থা ED দাবি করে জানালো ২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত পার্থ চ্যাটার্জি ও অর্পিতা মুখার্জির ব্যাঙ্ক একাউন্টে মোট ৭০০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। এমনকি পার্থ -অর্পিতা গ্রেফতার হওয়ার আগে জুলাই মাসে প্রায় দেড় কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় আর্থিক দুর্নীতি তদন্তকারী সংস্থা।

মোটা অংকের এই লেনদেন গুলো করা হয়েছিল পার্থ-অর্পিতার জয়েন্ট একাউন্ট, অপা ইউটিলিটি সার্ভিসেস ,অনন্ত টেক্সফ্যাব সহ একাধিক নামের একাউন্ট থেকে।

প্রসঙ্গত,প্রসঙ্গত, ইডি (এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট) হেফাজতের মেয়াদ শেষে পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ কেলেঙ্কারির ঘটনায় প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তার ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের করা জামিন আবেদন খারিজ করে এই নির্দেশ দেন কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালত। আগামী ১৮ আগস্ট পর্যন্ত জেল হেফাজতে থাকবেন তারা।

তবে জেলে গিয়ে পার্থ ও অর্পিতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি পেয়েছে ইডি। দুজন ইডি অফিসার তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে জেলে যেতে পারবেন। ইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত এমন নির্দেশনা দিয়েছেন।

আদালতের ওই নির্দেশনায় বলা হয়, জেলের একটি বিশেষ সেলে নিরাপত্তা দিয়ে অর্পিতাকে রাখতে হবে। সেই সঙ্গে জেলের অভ্যন্তরে তার ওপর বাড়তি নজরদারি থাকবে। অন্যদিকে, পার্থ চ্যাটার্জিকে প্রেসিডেন্সি জেলে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতে এ দিন পার্থ চ্যাটার্জির আইনজীবী বলেন, তিনি (পার্থ) আজ একজন সাধারণ মানুষ। প্রয়োজনে তিনি এমএলএ (মেম্বার অব লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি) পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন। তিনি কোথাও পালিয়ে যাবেন না। ইডি যেসব কাগজপত্র পেশ করেছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ভুয়া।

এ সময় পার্থের আইনজীবী আরও বলেন, যে টাকা উদ্ধার হয়েছে তা পার্থ চ্যাটার্জীর নয়। তাকে টাকা নিতে দেখা যায়নি।

অন্যদিকে, অর্পিতার আইনজীবী আদালতকে বলেন, তিনি (অর্পিতা) উচ্চশিক্ষিতা। সুতরাং তাকে প্রথম শ্রেণির আসামির মর্যাদা দেওয়া হোক। তার খাবার ও জল যেন পরীক্ষা করে দেওয়া হয়। কারণ তার প্রাণ সংশয়ের ভয় আছে।