Budget2025: ১৫ লাখের কম উপার্জনকারীদের জন্য সুখবর? বাজেট নিয়ে জানা যাচ্ছে বড় আপডেট

নতুন কর ব্যবস্থায় ১৫ লক্ষ টাকার কম আয়যুক্ত করদাতারা করের স্ল্যাবের সীমা বৃদ্ধির কারণে উপকৃত হয়েছেন। তাদের আয়ের উপর করের বোঝা হ্রাস পেয়েছে। তবে, যারা ১৫ লক্ষ টাকার বেশি আয় করেন তাদের ক্ষেত্রে কী হবে? আসন্ন বাজেটে ১৫ লাখের কম আয়ের ক্ষেত্রেই বা কী নিয়ম হবে? আসুন জেনে নেওয়া যাক।
১৫ লক্ষ টাকার বেশি আয়ে:
যারা সর্বোচ্চ করের স্ল্যাবে পড়েন, তাদের জন্য গত পাঁচ বছরে করের সীমায় কোনো পরিবর্তন হয়নি। ২০২০ সালে নতুন কর ব্যবস্থা চালুর পর থেকে কস্ট ইনফ্লেশন ইনডেক্স (CII) প্রায় ২১ শতাংশ বেড়েছে। মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব কমাতে গত পাঁচ বছরে ১৫ লক্ষ টাকার কম আয়কারী করদাতাদের জন্য করের সীমা ন্যূনতম ২০ শতাংশ এবং সর্বাধিক ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে ১৫ লক্ষ টাকার বেশি আয়ের ক্ষেত্রে করের হার ৩০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রয়েছে।
আরও ছাড়ের দাবি:
বিশেষজ্ঞদের মতে, মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি মানুষের মধ্যে নিত্যনতুন খরচের প্রবণতাও বাড়ছে। বেশি আয়কারীরা যত বেশি খরচ করবেন, অর্থনীতির জন্য তা সার্বিকভাবে ইতিবাচক। তাই, উচ্চ কর স্ল্যাবের করদাতাদেরও কর ছাড় দেওয়া উচিত।
অন্যদিকে, তথ্য অনুযায়ী, ৭০ শতাংশ করদাতার আয় ৫ লক্ষ টাকার কম। ফলে, বাকি ৩০ শতাংশ করদাতাই প্রত্যক্ষ করের সবচেয়ে বড় উৎস। তাই এই ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার বিষয়ে সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে।
মধ্য ও উচ্চবিত্তদের উপর করের চাপ:
মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তরা গৃহঋণের উপর বেশি সুদ, সন্তানের স্কুলের ফি এবং উন্নত জীবনযাত্রার জন্য আগের তুলনায় বেশি খরচ করতে বাধ্য হচ্ছেন। কর ছাড় পেলে তারা কিছুটা স্বস্তি পাবেন।
Grant Thornton India-র সমীক্ষা:
Grant Thornton India-র সাম্প্রতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশের ৫৭ শতাংশ করদাতা করের বোঝা কমানোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবিসমূহ হলো:
২৫ শতাংশ: সর্বোচ্চ কর স্ল্যাবে ছাড়ের দাবি।
৬৩ শতাংশ: পুরনো কর ব্যবস্থায় ছাড় বাড়ানোর পক্ষে।
৪৬ শতাংশ: করের হার কমানোর পরামর্শ।
৪৭ শতাংশ: পুরনো ব্যবস্থায় সেট-অফ লিমিট বাড়ানো বা ২ লক্ষ টাকার সীমা তুলে দেওয়ার প্রস্তাব।
এছাড়াও, পুরনো ব্যবস্থায় LIC স্কিম বা মেডিক্যাল বিমায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কর ছাড় বৃদ্ধির দাবিও জানিয়েছেন অনেকে।
সংক্ষেপে, নতুন কর ব্যবস্থায় কম আয়কারীরা লাভবান হলেও, উচ্চ আয়কারীদের জন্য কর ছাড়ের দাবি উঠেছে। আসন্ন বাজেটে এই বিষয়ে কোনো পরিবর্তন আসে কিনা, সেটাই এখন দেখার বিষয়।