“গান গাওয়া যাবে না”- মোদীজি আমার গান বন্ধ করতে চেয়েছিলেন! বিস্ফোরক দাবি বাবুলের

গত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বেশ অস্থির। সেখানে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ এবং ভারতকে অবমাননার ছবি সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় দুই দেশের মানুষের মনেই ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় অনেক ভারতীয় চিকিৎসক, হাসপাতাল ও হোটেল কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের রোগীদের পরিষেবা দিতে অস্বীকার করেছেন। এই পরিস্থিতিতে শিল্পীদের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই বিষয়ে এবার মুখ খুললেন সঙ্গীতশিল্পী ও মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।
এই সময় অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাবুল সুপ্রিয় জানান, শিল্পীদের উপরও নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। শুধু বর্তমান পরিস্থিতি নয়, এর আগেও তিনি এমন ঘটনার শিকার হয়েছেন। তিনি আরও দাবি করেন যে, এক সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্বয়ং তাঁর গান গাওয়ার বিরোধিতা করেছিলেন, যার কারণে তিনি ২০১৭ সালে একবার ইস্তফাপত্রও দিয়েছিলেন।
বাবুল সুপ্রিয়র মতে, শিল্পীদেরও একটি সীমারেখা থাকে, যা বহু দিন ধরেই চলে আসছে। তিনি জানান, এক সময় তিনি বাহারিন, মাস্কট, দুবাইয়ে অনেক শো করলেও ২০১৪ সাল থেকে তা বন্ধ হয়ে যায়।
নরেন্দ্র মোদীর বিরোধিতার প্রসঙ্গে বাবুল বলেন, ‘২০১৬ থেকে মোদীজিও আমার গান গাওয়ার বিরুদ্ধে হঠাৎ ভীষণ অ্যান্টি হয়ে গেলেন। গান গাওয়া যাবে না। ২০১৭ সালে একবার রিজাইনও করেছিলাম।’ তিনি আরও জানান যে, এই সীমারেখার কথা শিল্পীদের সরাসরি বলা হয় না, কিন্তু এই ধরনের চাপানউতর শিল্পীদের কাজে প্রভাব ফেলে।
প্রসঙ্গত, বাবুল সুপ্রিয় ২০১৪ ও ২০১৯ সালে পরপর দুবার আসানসোল থেকে বিজেপি-র সাংসদ নির্বাচিত হন। প্রথমবার জয়ের পর নরেন্দ্র মোদী স্বয়ং তাঁর সাথে দেখা করেছিলেন। তবে পরে মন্ত্রিত্বের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়, যার ফলে দলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এরপর তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন।