বিশেষ: নামেই সরকারি নিষেধাজ্ঞা! বাংলাজুড়ে প্রকাশ্যে বিকোচ্ছে গুটখা-পানমশলা

আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাজ্যে গুটখা-পানমশলা বিক্রি বন্ধ করা যাচ্ছে না, এটি একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। প্রতি বছর সরকার এ নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে, কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয় না।

স্বাস্থ্য দপ্তর নির্দেশিকা জারি করলেও, সেটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পুরসভা ও পুলিশের। এই দুই প্রশাসনিক সংস্থা যথাযথভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করছে না।গুটখা-পানমশলা বিক্রি মূলত ছোট দোকানদারদের উপর নির্ভরশীল। তাদেরকে বোঝানো এবং আইন মানার জন্য প্রচুর প্রচারণা ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।যতদিন পর্যন্ত গুটখা-পানমশলার উৎপাদন বন্ধ না হবে, ততদিন পর্যন্ত বাজারে এর সরবরাহ থাকবেই। জনসাধারণের মধ্যে গুটখা-পানমশলার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতনতা নেই।

গুটখা-পানমশলা মুখের ক্যান্সার, গলায় ক্যান্সার সহ বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। গুটখার পিক ফেলার কারণে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে।
স্বাস্থ্যসেবা খাতে ব্যাপক ব্যয় বাড়ছে।

গুটখা-পানমশলা বিক্রি করা নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও যারা এটি বিক্রি করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।গুটখা-পানমশলার উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ করা উচিত।জনসাধারণের মধ্যে গুটখা-পানমশলার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে হবে। পুলিশ এবং পুরসভা যৌথভাবে কাজ করে গুটখা-পানমশলা বিক্রি বন্ধ করার চেষ্টা করবে।

গুটখা-পানমশলা বিক্রি বন্ধ করা একটি জটিল সমস্যা। এটির সমাধানের জন্য সরকার, পুলিশ, পুরসভা এবং জনসাধারণ সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।