“রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের ইঙ্গিত”-সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুললো সুপ্রিমকোর্ট

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মামলায় আরেকবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য সরকার। এই মামলার মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায় একজন সিভিক ভলান্টিয়ার ছিলেন। এই ঘটনার পর থেকেই সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।CBI গত ৭ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে। এই ধর্ষণ-খুনে আরও কেউ যুক্ত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে CBI

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ:

সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার শুনানিতে রাজ্য সরকারকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে:

সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, পুলিশের কাজে নিযুক্ত করার আইনগত ভিত্তি এবং নিয়োগের সময় কোনও ভেরিফিকেশন করা হয় কিনা, এই সব বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিতে হবে।

চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য গঠিত ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্সের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে তিন সপ্তাহ পরে আদালতে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির কাজ কতদূর এগিয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে।

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগে রাজনৈতিক প্রভাব থাকতে পারে। তিনি বলেছেন, “যদি কোনও রকম ভেরিফিকেশন ছাড়াই সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ করা হয় তা রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের দিকেই ইঙ্গিত করে।”

আরজি কর মামলার প্রভাব:

আরজি কর মামলা শুধুমাত্র একজন চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনা নয়, এটি সারা দেশের জন্য একটি সতর্কবার্তা। এই ঘটনা স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় নিরাপত্তার অভাব এবং সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ পদ্ধতির উপর প্রশ্ন তুলেছে।