“ও ক্লাসে প্রথম ৫ জনের মধ্যে থাকত”- সন্দীপকে নিয়ে মামাবাড়ির লোকেদের কি প্রতিক্রিয়া

আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের গ্রেফতারের পর আসানসোলে তাঁর মামাবাড়িতে চুপচাপ পরিবেশ। সিবিআই সোমবার সন্ধ্যায় সন্দীপকে গ্রেফতার করার পর মঙ্গলবার দুপুরে তাঁকে মহিশিলা কলোনির চক্রবর্তী মোড়ের কাছে তাঁর মামাবাড়িতে নিয়ে আসা হলেও, পরিবারের কেউই এই বিষয়ে কথা বলতে রাজি হয়নি।
সন্দীপের মামি রঞ্জনা সরকার জানিয়েছেন, তাঁদের সন্দীপের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। তাঁর মামা বাপি সরকার ক্যান্সার আক্রান্ত এবং আসানসোল জেলা হাসপাতালে কেমোথেরাপি চালাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, সন্দীপ ঘোষ আসানসোলের জিটি রোডের ধারে রামকৃষ্ণ মিশনের স্কুলে ক্লাস এইট থেকে পড়াশোনা করেছিলেন।
মহিশিলা কলোনিতে সন্দীপের মামাবাড়িতে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে কেউই রাজি না হওয়ায় পরিস্থিতি কিছুটা অপ্রীতিকর হয়ে ওঠে।
সন্দীপের মামি বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে সন্দীপের এখন কোনও যোগাযোগ নেই। ৭-৮ বছর আগে শেষ আমার মেয়ের বিয়েতে এসেছিল। তার পর থেকে যোগযোগ ছিল না।’ এর পর একরাশ বিরক্তি প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী খুবই অসুস্থ। অপারেশন হয়েছে। তিনি কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। অযথা কেন এখনে আসছেন আপনারা!’
আসানসোলের রামকৃষ্ণ মিশন স্কুল থেকে ১৯৮৭ সালে মাধ্যমিক পাস করেন সন্দীপ। সেই শিক্ষক বলেন, ‘সে তখন অত্যন্ত শান্ত ছিল। খুব কম কথা বলত। ওর মামা মহিশিলা কলোনি থেকে সাইকেলে আমার কাছে পড়তে নিয়ে আসতেন। সেই ছেলেটা কী করে এমন হয়ে গেল বুঝে উঠতে পারি না।’
সন্দীপের এক ব্যাচমেটের কথায়, ‘ও ক্লাসে প্রথম ৫ জনের মধ্যে থাকত।’ আসানসোল থেকে বনগাঁয় ফিরে গিয়ে বনগাঁ হাইস্কুল থেকে ১৯৮৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন সন্দীপ।