কবে খুলবে বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কী জানালেন শিক্ষা মন্ত্রী?

কোটা সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পথ ছেড়ে ক্লাসে ফেরার আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কবে খুলবে? আদালতের রায়ের পরও কবে নাগাদ স্কুল-কলেজ খোলা হবে সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কোটা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছে শিক্ষার্থীরা। এই মাসের শুরুতে শুরু হওয়া বিক্ষোভ গত সপ্তাহে সহিংস রূপ নেয়।’
ওই আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতায় শতাধিক মানুষ নিহত হয় অন্যদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্কুল, কলেজসহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ ছিল। এদিকে, রোববার সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন আদালত।
আদালতের রায়ে সরকারি চাকরিতে ৫ শতাংশসহ মোট ৭ শতাংশ আসন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ক্লাসরুমে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান।
কিন্তু বাংলাদেশে এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়। সেখানে এখনও কারফিউ রয়েছে। অন্যদিকে, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কোটা নিয়ে আদালতের রায়কে স্বাগত জানালেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে। এমতাবস্থায় এই ঘোষণার পরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খুলবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, বাংলাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হবে। অন্যদিকে কোটা নিয়ে আদালতের দেওয়া সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
কোটা সংস্কারের এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই ‘ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত’ বলে অভিহিত করেছেন, এই সিদ্ধান্তের পর রোববার বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, এটা ‘অত্যন্ত বিজ্ঞ সিদ্ধান্ত’। চাকরির শতকরা হারের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করতে বাংলাদেশ সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী বলেন, আদালতের আদেশ অনুযায়ী শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।