বিশেষ: খুঁজে পাওয়া গেলো ৩০০ বছর লুকিয়ে থাকা এক লোকালয়ের, জেনেনিন ঠিকনা?

গ্রিসের ইকারিয়া দ্বীপ বহিরাগতদের চোখের আড়ালে ছিল বহু বছর। সবাই ভাবতেন, দ্বীপটি ছেড়ে লোকজন বুঝি চলে গেছে। ইকারিয়ার মানুষ নিজেদের লুকিয়ে রেখেছিলেন কেন এবং কীভাবে? লিখেছেন তৃষা বড়ুয়া
গ্রিসের দ্বীপ
এজিয়ান সাগরের এক দ্বীপের নাম ইকারিয়া। গ্রিক পুরাণে বলা আছে, জ্ঞান ও ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত দক্ষ স্থপতি ও কারুশিল্পী ডিডালাসের ছেলে ইকারাস একবার সূর্যের খুব কাছে চলে যাওয়ায় দ্বীপটির কাছে আজিয়ান সাগরে পড়ে গিয়েছিলেন। ধারণা করা হয়, ইকারাসের নামানুসারে গ্রিক ওই দ্বীপের নাম রাখা হয়েছে ইকারিয়া। গ্রিসের অন্যান্য দ্বীপ থেকে ইকারিয়া দেখতে একটু আলাদা। সন্ধ্যার সময় এই পার্থক্যটা বোঝা যায় বেশি। গ্রিসের বেশির ভাগ দ্বীপের মানুষ তাদের বাড়িঘর উপকূলের ধারঘেঁষে নির্মাণ করেন। ইকারিয়ার ঘরবাড়িগুলো এজিয়ান সাগরের উপকূলে নয়, বরং দূরে উঁচু পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে নির্মিত। এ কারণে সূর্য অস্ত যাওয়ার পর উপকূলীয় এলাকা অন্ধকার থাকে। টিম টিম করে জ্বলতে থাকে পাহাড়গুলো। পাহাড়ের ঢালে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ইকারিয়ার ঘরবাড়ি থেকে আসা আলো দেখলে অনেকের গ্রামের কথা মনে পড়ে যেতে পারে। রাতের বেলা গ্রামে গাছের পাতার ফাঁকে ফাঁকে জোনাকিদের ঠিক ওভাবেই আলো জ্বালাতে দেখা যায়। মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, এজিয়ান সাগরের উপকূলে বাড়ি না বানিয়ে ইকারিয়া দ্বীপের মানুষ এত ওপরে পাহাড়ের গায়ে তাদের বাড়ি বানিয়েছেন কেন? পাহাড়ের ঢালে বাড়ি বানানো যেমন কষ্টকর, তেমনি দৈনন্দিন জীবনযাপনের জন্য সমতল থেকে দূরে থাকা ঝক্কির কাজ। প্রশ্নের উত্তর পেতে ইকারিয়ার ইতিহাস জানা গুরুত্বপূর্ণ। এজিয়ান সাগর একদিকে যেমন ইকারিয়াকে দেওয়া ঈশ্বরের আশীর্বাদ, তেমনি এটি অভিশাপও। এই সাগর দিয়ে প্রাচীনকালে ব্যবসা-বাণিজ্য করতেন দ্বীপটির মানুষ। জলপাই, মধু, ওয়াইনসহ দামি পণ্য ইকারিয়া থেকে এজিয়ান সাগর হয়ে প্রাচীন গ্রিসের বিভিন্ন শহরে রপ্তানি করা হতো। এই সাগরের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হয় ওই দ্বীপ। তবে ইকারিয়ার সুখ বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। দ্বীপটিতে উৎপন্ন শস্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রলুব্ধ করে জলদস্যুদের। তারা যখন-তখন দ্বীপটিতে হানা দিয়ে মানুষের বাড়িঘরে লুটপাট চালাত। জমি থেকে শস্য তুলে নিয়ে জাহাজ বোঝাই করত।
আক্রমণ ও সমাধান
জলদস্যুরাই যে শুধু ইকারিয়ার দুর্ভাগ্যের জন্য দায়ী, তা নয়। দ্বীপটি একবার, দুবার নয়, বহুবার বিদেশি শাসনের অধীনে ছিল। ইতিহাসের পাতা ওল্টালে দেখা যাবে, খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ থেকে ১৫২১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দ্বীপটি শাসন করে পারস্য সাম্রাজ্য, রোমান সাম্রাজ্য, বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যসহ অনেকে। এরপর ওসমানীয় সাম্রাজ্যের অধীনে ইকারিয়া ছিল তিনশ বছরের বেশি সময়। ভৌগোলিকভাবে দূরে অবস্থান করায় কোনো দখলদারই ইকারিয়াকে ঠিক চোখে চোখে রাখতে পারত না। এজিয়ান সাগর উপকূলে নিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা তাদের পক্ষে অনেক সময় সম্ভব হতো না। এই সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করত জলদস্যুরা। ইকারিয়ায় জলদস্যুরা প্রথম হানা দেয় খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দীতে। চতুর্দশ শতাব্দীতে ওই দ্বীপ জেনোয়া দখল করলে ইকারিয়ার মানুষ নিরুপায় হয়ে নিজেদের বন্দরই ধ্বংস করে ফেলে কারণ একের পর এক দখলদার ও জলদস্যুদের অত্যাচারে দ্বীপটির মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। এতে অবশ্য কোনো লাভ হয়নি। বিদেশি শাসক বা জলদস্যু কেউই তাদের দখল বা লুণ্ঠন থামায়নি। ইকারিয়ার সাধারণ জীবনযাপন করা মানুষ জানতেন না দখলদার বা জলদস্যুদের কীভাবে মোকাবিলা করতে হয়। তাদের হটানোর মতো সম্পদও দ্বীপটির মানুষের ছিল না। একপর্যায়ে তারা বুদ্ধি বের করেন। এজিয়ান সাগরের উপকূলীয় অঞ্চলের বাড়িঘর ছেড়ে ইকারিয়ার সব মানুষ দূরে পাহাড়ি এলাকার যতটা ভেতরে পারা যায়, সেখানে বাড়ি বানিয়ে থাকতে শুরু করেন। ইকারিয়া দ্বীপের সামনে দিয়ে যারা সে সময় সাগর পাড়ি দিতেন, তারা ভাবতেন লোকজন বুঝি দ্বীপটি ছেড়ে চলে গেছেন। ইকারিয়ার পাহাড়ে লুকিয়ে থাকা লোকজনের বাড়িঘর জাহাজ থেকে দেখা যেত না। ইকারিয়ার মানুষ দীর্ঘদিন এভাবেই নিজেদের জলদস্যু বা হানাদার বাহিনীর কাছ থেকে অদৃশ্য রাখতে পেরেছিলেন, অন্তত দ্বীপটিতে বিদ্যুৎ আসার আগ পর্যন্ত।
ইকারিয়ার বিশেষ বাড়ি
হানাদারদের হাত থেকে রক্ষা পেতে ইকারিয়ার মানুষ পাহাড়ে বিশেষ ধরনের বাড়ি বানান। এসব বাড়ির উচ্চতা বেশি ছিল না কারণ বেশি উঁচু হলে জলদস্যু বা দখলদারদের চোখে পড়ার ভয় ছিল। বাড়ি তৈরির প্রধান উপাদান ছিল বড় বড় পাথর। বাড়ির ভেতরে বিশেষ কিছু থাকত না কারণ ইকারিয়ার মানুষ দিনের বেশির ভাগ সময় ঘরের বাইরে কাটাতেন। স্থানীয়দের কাছে বাড়িগুলো অ্যান্টি-পাইরেট হাউজ নামে পরিচিত। ইকারিয়ার মানুষদের এই বাড়িগুলো দীর্ঘদিন ধরে মুগ্ধ করে আসছে এলেনি মাজারিকে। তিনি ইকারিয়ার এভদিলোস গ্রামের বাসিন্দা। তার আবাসন ব্যবসা আছে। বেশ কয়েক বছর ধরে অ্যান্টি-পাইরেট হাউজ নিয়ে পড়াশোনা করছেন তিনি। তুলেছেন অগণিত ছবি। মাজারি বলেন, ‘গ্রিসের মানুষ যেভাবে বাড়ি বানান, সেসব থেকে অ্যান্টি-পাইরেট হাউজের নকশা একেবারে ভিন্ন। ইকারিয়ার মানুষ চেয়েছিলেন তাদের বাড়িঘর এমন জায়গায় নির্মাণ করতে, যা কেউ সমতল বা সাগর থেকে দেখতে না পায়। এজন্য তাদের পাহাড়ে জনমানবশূন্য স্থান বেছে নিতে হয়।’ মূলত ওসমানীয় সাম্রাজ্যের অধীনে থাকাকালে ইকারিয়ার মানুষ উপকূল ছেড়ে পাহাড়ি এলাকায় বসতি গড়েন। এর কারণ ওসমানীয় সাম্রাজ্যের শাসকরা ইকারিয়া শাসন করেন ঢিলেঢালাভাবে। আর তখন জলদস্যুদের উৎপাত অনেক বেড়ে যায়। তাদের কারণে অন্য দেশের সঙ্গে দ্বীপটির মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্য করা কঠিন হয়ে পড়ে। ইকারিয়ার মানুষের সামনে তিনটি পথ খোলা ছিল। হাতে যা কিছু আছে তা দিয়েই জলদস্যুদের সঙ্গে লড়াই করা অথবা দ্বীপ ছেড়ে নিরাপদ স্থানে পলায়ন বা দূরে পাহাড়ের গায়ে লুকিয়ে থাকা। ওই দ্বীপের মানুষ লড়াই করতে জানতেন না। তাই জলদস্যুদের সঙ্গে লড়াই বাধলে তাদের বেঘোরে প্রাণ হারানোর আশঙ্কা ছিল। তা ছাড়া আশপাশে কোথাও পালানোর মতো জায়গা তারা খুঁজে পাননি। শেষ বিকল্পই তারা বেছে নেন এবং লক্ষ্য অর্জনে সফল হন। ওসমানীয় সাম্রাজ্যের অধীনে পুরো সময় অর্থাৎ ৩০০ বছর পাহাড়েই নিজেদের লুকিয়ে রাখেন ইকারিয়ার মানুষ। মাজারি বলেন, ‘অল্প পুঁজি বা সম্বল দিয়ে নতুন কিছু সৃষ্টি করতে বরাবরই অভ্যস্ত ছিলেন ইকারিয়ানরা। পাহাড়ে তাদের সমাজ স্বনির্ভর ছিল। বাড়ির ছোট্ট ছাদ ওয়াইন, জলপাই ও মধু উৎপাদনের জন্য ব্যবহার করা হতো। বাড়ির আশপাশে ফাঁকা জায়গায় ইকারিয়ানরা ছাগল লালন-পালন করতেন। বহিরাগতদের কাছে ইকারিয়ার পাহাড় মনুষ্যবসতিহীন হলেও আমাদের পূর্বপুরুষদের কাছে সেটি ছিল অত্যন্ত প্রাণবন্ত এক লোকালয়।’ ইকারিয়ার বাসিন্দা ইফতিচিয়া জানান, বহিরাগতদের দৃষ্টি এড়ানোর জন্য স্থানীয়রা তাদের বাড়ি একতলার বেশি উঁচু করতেন না। এ ছাড়া ঘরের চিমনি থেকে ধোঁয়া বের হলে দূর থেকে বোঝা যাবে মনুষ্যবসতি আছে, এ কারণে বাড়িগুলোতে কোনো চিমনি থাকত না। রান্নার সময় ঘরের দেয়াল থেকে বড় একটি পাথর সরিয়ে ফেলা হতো। চুলার ধোঁয়া ওই দিক দিয়েই বের হতো। ইকারিয়ানরা শুধু রাতের বেলায় নিজেদের মধ্যে ভাবের আদান-প্রদান করতেন। কুকুর পুষলে তাদের ঘেউ ঘেউ ডাক দখলদারদের কানে যেতে পারে, এই ভয়ে তারা কুকুরও পুষতেন না।
ইকারিয়ানদের দীর্ঘায়ু
ইকারিয়ার এক পাহাড়ে নিজের পছন্দের ক্যাফেতে হরহামেশাই যান গ্রেগরিস সাহাস নামে এক ব্যক্তি। প্রতিদিন এক প্যাকেট সিগারেট সাবাড় করা তার বহু বছরের অভ্যাস। তাকে যদি বলা হয় এত সিগারেট খাওয়া ঠিক নয়, স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, তাহলে তিনি এমন মুচকি হাসি হাসবেন যে, পরামর্শদাতা সেখানেই চুপ মেরে যাবেন। ‘এসব কথা জীবনে অনেক শুনেছি। বলে লাভ নেই।’ হাসির আড়ালে প্রকৃতপক্ষে এটাই বলতে চান সাহাস। আর বলবেন নাই বা কেন? সাহাসের বয়স ১০৯। অ্যাপেন্ডিসাইটিসের বাইরে জীবনে বড় কোনো অসুখ হয়নি তার। এক প্যাকেট সিগারেটের পাশাপাশি প্রতিদিন দুই গ্লাস ওয়াইন খান বলে দাবি করেন সাহাস। তবে একটু চাপ দিলে এই দুই গ্লাস কয়েক গ্লাস হতে বেশি সময় নেয় না। সাহাস যে শুধু একা শতায়ু, তা নয়। ইকারিয়ায় তার মতো দীর্ঘজীবী আরও অনেকে আছে। ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে গড়ে ১০ বছর বেশি বাঁচেন ইকারিয়ার মানুষ। তিনজন ইকারিয়ানের মধ্যে একজনের বয়স নব্বইয়ের কোঠায় হবেই। শুধু তা-ই নয়, তারা ক্যানসার ও হৃদরোগে ভোগেন কম। বিষণœতা বা স্মৃতিভ্রংশের ঘটনাও তাদের জীবনে কম ঘটে। প্রশ্ন উঠতে পারে, ইকারিয়ানরা দীর্ঘায়ু কেন? এর পেছনে কারণ কী? এথেন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল স্কুলের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ক্রিস্টিনা ক্রিসোহু গবেষণা করে জানতে পারেন, ইকারিয়ানদের খাদ্যতালিকায় থাকে প্রচুর পরিমাণে শিম। তারা খুব একটা মাংস খান না। পরিশোধিত চিনিও তাদের কম খেতে দেখা যায়। ইকারিয়ানরা নিজেরা যেসব সবুজ শাকসবজি উৎপাদন করেন, সেসবই তাদের প্রধান খাদ্য। এ ছাড়া আলু ও ছাগলের দুধও তাদের দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় থাকে। এসব পুষ্টিকর ও টাটকা খাবারের মধ্যে কোনো কোনোটির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রেড ওয়াইনের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। ক্রিসোহু বলেন, ‘গ্রিসের অন্যান্য দ্বীপের খাবার ও ইকারিয়ানদের খাবারের মধ্যে তফাত আছে। তারা প্রচুর পরিমাণে ভেষজ চা খান আর কফি খান কম। তাদের দৈনিক খাবারে খুব বেশি ক্যালরি থাকে না। ইকারিয়া আজও বিচ্ছিন্ন এক দ্বীপ। পর্যটকদের সেখানে যেতে তেমন একটা দেখা যায় না। এর অর্থ ইকারিয়ানদের জীবনে এখন পর্যন্ত পশ্চিমা জীবনযাপনের ছোঁয়া লাগেনি।’ ডা. ক্রিসোহুর গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ইকারিয়ানরা দুপুরবেলা যে হালকা ন্যাপ নেন, তা তাদের আয়ু বাড়ানোয় ভূমিকা রাখতে পারে। নিয়মিত ন্যাপ নিলে হৃদরোগের ঝুঁকি প্রায় ৪০ শতাংশ কমে যায়। ক্রিসোহুর প্রাথমিক গবেষণা বলছে, ৬৫ থেকে ১০০ বছর বয়সী ইকারিয়ান পুরুষদের মধ্যে ৮০ শতাংশই সহবাস করার ক্ষমতা রাখেন। ৯০ বছরের পর তাদের মধ্যে কয়েকজন শারীরিকভাবে মিলিত হতে পারেন।
দখলদার ও জলদস্যুদের হাত থেকে বাঁচতে শত শত বছর ধরে ইকারিয়ানদের দুর্গম পাহাড়ের গায়ে লুকিয়ে থাকতে হয়। ওই সময় তাদের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরতার সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা পরবর্তী সময়েও অটুট থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান ও ইতালীয়রা দ্বীপটি দখল করে। সে সময় অনেক ইকারিয়ান খাদ্যের অভাবে মারা যান। মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ মানুষ যুদ্ধকালীন খেতে না পেয়ে মৃত্যুবরণ করেছিলেন বলে ধারণা করা হয়। যুদ্ধের পর হাজার হাজার কমিউনিস্টকে ইকারিয়ায় নির্বাসনে পাঠানো হয়। ওই কমিউনিস্টরা শুরুতে ইকারিয়ানদের যৌথ জীবনযাপনের প্রতি আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন। ওসমানীয় সাম্রাজ্যে ইকারিয়ানরা যখন উপকূল ছেড়ে পাহাড়ের দিকে চলে যেতে বাধ্য হন, তখনই তারা ভাগাভাগি করে খেত, পরত, যাবতীয় কাজকর্ম করত। এ কারণে
নির্বাসিত কমিউনিস্টদের যৌথ জীবনের তত্ত্ব তাদের নতুন মনে হয়নি। ইকারিয়ানরা নিজেদের ঐতিহ্য সম্পর্কে পরিচিত করার সময় বলেন, ‘ইকারিয়ায় আমার বলে কিছু নেই। এখানে সবকিছুই আমাদের।’