বাংলার প্যারাসিটামল কারখানাতেও এবার বুলডোজারের কোপ? প্রশ্নের মুখে শতাধিক কর্মীর ভবিষ্যৎ

হাওড়ার সাঁতরাগাছিতে অবস্থিত ‘ডায়মন্ড ড্রাগ’ নামক ওষুধ তৈরির কারখানার একাংশ ভেঙে ফেলার হুমকি।জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য এই পদক্ষেপ নিতে চায়।কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, তাদের বিকল্প জায়গা না দিয়েই জোরপূর্বক ভাঙা হচ্ছে কারখানার অংশ।১৫০ জন কর্মী হারাবে তাদের কর্মসংস্থান।
হাইকোর্টে মামলা চলছে।জেলাশাসক বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘ডায়মন্ড ড্রাগ’ কারখানায় প্যারাসিটামল, আইবুপ্রুফেন, অ্যামোক্সিসিলিন, ক্লক্সাসিলিন, লিনেজোলিড, ওফ্লক্সাসিন সহ আরও ২০ টি ওষুধ তৈরি হয়।

এই ওষুধগুলি সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সরবরাহ করা হয়।জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ ২০২২ সালে রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য কারখানার একাংশ অধিগ্রহণের জন্য নোটিশ দেয়।
‘ডায়মন্ড ড্রাগ’ বিকল্প জায়গার জন্য আবেদন করে।অভিযোগ, আইনি প্রক্রিয়া না মেনে জোরপূর্বক ভাঙা হচ্ছে কারখানা।কারখানা কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টে আবেদন করে।আগামী ২৩ জুলাই মামলার শুনানি।১৯ জুলাই ভেঙে দেওয়ার হুমকি।কারখানা কর্মীদের চাকরির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।হাওড়ার জেলাশাসক বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

এই ঘটনাটি তুলে ধরে:

দীর্ঘদিন ধরে চলা একটি ওষুধ কারখানা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি।১৫০ জন কর্মীর কর্মসংস্থান হারানোর সম্ভাবনা।আইনি প্রক্রিয়া না মেনে জোরপূর্বক অধিগ্রহণের অভিযোগ।সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কা।

আগামী পদক্ষেপ:
হাইকোর্টের রায়ের উপর নির্ভর করবে কারখানার ভাগ্য।জেলাশাসকের তদন্তের ফলাফল।বিকল্প জায়গা সংস্থানের সম্ভাবনা।
এই ঘটনাটি রাজ্যের শিল্প ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।