‘বেকার’ থেকেও বানিয়েছেন অট্টালিকা, কীভাবে সোনারপুরের ‘দামাল’ হয়ে উঠলেন জামাল?

সোনারপুরের প্রতাপনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের সাঙ্গুর গ্রামের বাসিন্দা।পূর্বে মুহুরির কাজ করতেন।বর্তমানে: স্থানীয় এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ও ‘দামাল’ হিসেবে পরিচিত।

ধীরে ধীরে প্রশাসন ও স্থানীয় নেতাদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেন।মুহুরির কাজ ছেড়ে জমির দালালি শুরু করেন।এলাকার সমস্যা সমাধানে ‘সালিশিসভা’ বসানোর মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন।সালিশের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

সোনারপুরের প্রতাপনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের সাঙ্গুর গ্রামে অবস্থিত।রাস্তার পাশেই অবস্থিত প্রাসাদের মতো বাড়ি, যা এটিকে সহজেই দৃশ্যমান করে তোলে।

বিশাল প্রবেশদ্বার সহ একটি আকর্ষণীয় প্রাসাদের মতো বাড়ি।বাড়ির দিকে যাওয়ার জন্য একটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, ঝকঝকে রাস্তা রয়েছে।
রাস্তার দু’পাশে সারিবদ্ধ গাছ রয়েছে।এই বিলাসবহুল ভবনটি রিসর্টের চেয়ে বেশি মনে হয়।নিরাপত্তার জন্য বাড়ির ভেতর ও বাইরে মোট ৫০ টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

জামাল অবৈধভাবে অন্যের জমি দখল করে এই প্রাসাদ নির্মাণ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিলাসবহুল সুযোগ-সুবিধা:
বাড়িতে একটি সুইমিং পুল রয়েছে।বিরল প্রজাতির কচ্ছপও সুইমিং পুলে রাখা হয়েছে, যা বেআইনি।জামাল ঘোড়াও পালন করতেন এবং তাদের যত্ন নেওয়ার জন্য কর্মী নিয়োগ করেছিলেন।বাড়িতে পরিচালনার জন্য আরও ৭ জন কর্মী রয়েছেন।এক মহিলাকে শেকল দিয়ে বেঁধে মারধরের অভিযোগ।জমি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ।২০১ সালে হারান অধিকারী হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ।বেআইনিভাবে বিরল প্রজাতির কচ্ছপ রাখার অভিযোগ।

একের পর এক অভিযোগের মুখে পলাতক।তৃণমূল কংগ্রেস দলের সাথে সম্পর্ক অস্বীকার করেছে।
পুলিশ তদন্ত চালিয়েছে।জামালউদ্দিন সর্দার একজন বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব। প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি থাকা সত্ত্বেও, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে তিনি পলাতক এবং পুলিশ তাকে খোঁজার চেষ্টা করছে।